রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানার সামনে দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে যাচ্ছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুবাশশির কাদির (২৩)। এ সময় ব্যাটারিচালিত একটি রিকশা বিপরীত দিক থেকে উল্টো পথে এসে গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন মুবাশশির।
গতকাল সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক ব্যক্তির সহায়তায় মুবাশশিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সোমবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে পল্লবী থানার সামনে দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন মুবাশশির। পথিমধ্যে একটি দ্রুতগতির ব্যাটারি চালিত রিকশা এসে ধাক্কা দেয়। প্রতিবাদ জানিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিতে চাইলে রিকশা চালক চিৎকার দেয়। তাঁর চিৎকার শুনে পাশের বিহারি ক্যাম্প থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে ১৫-২০ জন এসে ব্যক্তি হামলা চালায়। এ সময় মুবাশশিরের পকেটে থাকা আইফোন, নগদ টাকা নিয়ে যায়।
অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হামলা থেকে উদ্ধার পেয়ে কালশী মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা তাঁকে পাশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা এসে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
হামলার বিষয়ে আহত শিক্ষার্থীর বাবা পুলিশ কর্মকর্তা কে এম কাউসার বলেন, ‘উল্টো পথে রিকশা নিয়ে এসে ধাক্কা দিয়েছে। এর প্রতিবাদ করে ৯৯৯-এ কল দিতে চাওয়ায় আমার ছেলের ওপর হামলা করেছে। আশা করি পুলিশ দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করবে। আমার ছেলের শারীরিক অবস্থা খারাপ। তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছে। সিটি স্ক্যানের রেজাল্ট খারাপ এসেছে।’
এ দিকে পল্লবী থানায় শিক্ষার্থীর দায়ের করা মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন থানা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মঞ্জুরুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছি। ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও ফুটেজসহ সকল তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। হামলার ঘটনায় জড়িত কামাল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’