শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শ্রম আদালতের দেওয়া রায় ও আদেশ শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থগিত করা প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। রায়ের জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের বেঞ্চে এ-সংক্রান্ত রুল শুনানি হয়।
আদালতে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ড. ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন ও খাজা তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ। পরে আদালত এ বিষয়ে রায়ের জন্য ১৮ মার্চ দিন ধার্য করেন।
ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বলেছি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশটি ছিল গত ৩ মার্চ পর্যন্ত। যার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই এই রুল অকার্যকর।’
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করেছিল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। ওই মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ চারজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে গত ১ জানুয়ারি রায় দেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে গত ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন ড. ইউনূসসহ চারজন। আপিল ট্রাইব্যুনাল শ্রম আদালতের দেওয়া রায় স্থগিত করে চারজনকে জামিন দেন।
পরে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের অংশবিশেষের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।