ঢাকার ধামরাইয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে ফিরোজ মাহমুদ (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাতে গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুনালাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফিরোজ মাহমুদ অর্জুনালাই গ্রামের বাসিন্দা।
হত্যার ঘটনায় ফিরোজ মাহমুদের ছেলে হাবিবুর রহমান আজ রোববার একই গ্রামের জহিরুল ইসলামের (৪২) বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় মামলা করেছেন। এর আগেই পুলিশ জহিরুল ইসলামকে (৪০) গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জহিরুল এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। ফিরোজও তাঁর সঙ্গে মাদক কারবার করতেন। মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে মাস দুয়েক আগে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জেরেই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তবে পুলিশ বলছে, বোনকে উত্ত্যক্ত করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরোজকে হত্যা করেন জহিরুল। জহিরুলও সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেছেন।
ধামরাই থানার পুলিশ জানায়, আগের আক্রোশ থেকে গতকাল শনিবার রাতে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠের কাছে দুজনের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে জহিরুল উত্তেজিত হয়ে তাঁর কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফিরোজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এ সময় ফিরোজের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে জহিরুল দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ফিরোজকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান। পরে বিষয়টি ধামরাই থানাকে অবহিত করা হয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, বোনকে উত্ত্যক্ত করার কারণে জহিরুল ক্ষোভে ও রাগে ফিরোজকে হত্যা করেছেন। হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। জহিরুলকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পাঠানো হয়েছে।