প্রতারণার অভিযোগে দুদকের মামলায় আগাম জামিন না দিয়ে চিকিৎসক পরিচয়ধারী মাহমুদুল হাসানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই মামলার বাকি ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। পরে আসামিকে শাহবাগ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চীনের একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ভুয়া সনদে ১২ জনকে এমবিবিএস চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার অভিযোগ উঠে। পরে ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। মামলায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার জাহিদুল হক বসুনিয়া এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ছাড়াও নিবন্ধন পাওয়া ওই ১২ জনকে আসামি করা হয়।
১২ আসামি হলেন কুমিল্লার বড়ুরার ইমান আলী ও মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুদেব সেন, টাঙ্গাইলের কালিহাতীর তন্ময় আহমেদ, ভোলার দৌলতখানের মাহমুদুল হাসান, চাঁদপুরের মতলবের মোক্তার হোসাইন, ঢাকার সাভারের আসাদ উল্লাহ, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের কাউসার, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের রহমত আলী, বাগেরহাট সদরের শেখ আতিয়ার রহমান, ফেনীর দাগনভুঁইয়ার সাইফুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ সদরের আসলাম হোসেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, আসামিরা জানিয়েছিলেন চীনের তাঈশান মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সনদ নিয়েছেন তারা। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করে এর সত্যতা মেলেনি।