বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া জেলগেটে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সংক্রান্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ ছাড়া জামিনের পর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ব্যতীত জেলগেটে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জমির উদ্দিন সরকার, এজে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
কায়সার কামাল জানান, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রাজধানীর হাজারীবাগ থানার মামলায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি মীর সরাফত আলী সপুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই মামলায় তিনি ১৬ ফেব্রুয়ারি জামিন পান। এরপর বের হওয়ার সময় কারাফটক থেকে তাকে রমনা থানায় দায়ের করা নাশকতার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। যদিও ওই মামলার এফআইআরে তার নাম ছিল না। তবে সে মামলায় গত ২২ মার্চ জামিন পেয়ে বের হওয়ার সময় আবারও জেলগেট থেকে রমনা ও পল্টন থানার পৃথক দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলার এফআইআরেও সপুর নাম ছিল না।
কায়সার কামাল বলেন, এফআইআরে নাম না থাকা সত্ত্বেও সপুকে জেলগেটে দুইবার গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাই জামিন পাওয়ার পর পুনরায় অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আশঙ্কায় তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।