হোম > সারা দেশ > ঢাকা

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্র থেকে উদ্ধার ৩৭ বাংলাদেশি ফিরলেন দেশে

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

দেশে ফিরেছেন কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্র থেকে উদ্ধার ৩৭ বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রলোভনে নিয়ে গিয়ে তাদের জোরপূর্বক সাইবার প্রতারণার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছিল বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের (টিজি-৩৩৯) একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাঁদের জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।

ফেরত আসা ভুক্তভোগী ঢাকার শাহিনুর রহমান (ছদ্মনাম) জানান, বৈধ প্রক্রিয়ায় ভালো চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাঁদের কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি দালাল চক্রের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তাদের চীনা নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে হস্তান্তর করা হয়।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কম্পাউন্ডগুলোতে তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করা হতো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সাইবার প্রতারণা কার্যক্রমে অংশ নিতে চাপ দেওয়া হতো। নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করতে না পারলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো।

সাম্প্রতিক সময়ে কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে ৮জন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরও ১৮ বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। তাঁদেরও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে মিয়ানমারে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাঁদের বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক সাইবার জালিয়াতির কাজে নিয়োজিত করা হয়।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, সাইবার স্ক্যাম বর্তমানে মানবপাচারের একটি ভয়াবহ রূপ। কম্পিউটার অপারেটর, টাইপিস্ট, কল সেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে নিয়োগের প্রচারণা চালানো হয়। পরে চাকরিপ্রার্থীদের বিভিন্ন স্ক্যাম সেন্টারে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করা হয়।

তিনি বলেন, এ কারণেই সরকার ও ব্র্যাক একাধিকবার থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রস্তাব গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে। বিদেশগামী কর্মীদের চাকরির সত্যতা যাচাই, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সাইবার স্ক্যাম প্রতিরোধ করা জরুরি।

মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ

হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ

ছিনতাইকারীদের ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশের এসআই ও কনস্টেবল আহত

জাতীয় বাজেটে আবারও উপেক্ষিত হলো সংস্কৃতি খাত: উদীচী

বিচারকের কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণা, ৬ বছর পর গ্রেপ্তার

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ডেমরায় এক্সপ্রেসওয়ে থেকে যুবকের ছিন্নবিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার

চোর সন্দেহে ধাওয়া, বহুতল ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর বিজয় সরণিতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত