রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পোস্তগোলাবাসী। ধীরগতিতে সংস্কারকাজ চলায় পোস্তগোলা-ফরিদাবাদ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সামান্য বৃষ্টি এলেই এ রাস্তায় চলাচলরত পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
গত জুলাই মাস থেকে রাজধানীর শ্যামপুর থানার পোস্তগোলা করিমুল্লারবাগ এলাকার শ্মশানঘাট রাস্তাটির পয়োনিষ্কাশনের কাজ শুরু হয়। সংস্কারকাজের কিছু অংশ শেষ হলেও বাকি কাজের কোন অগ্রগতি নেই। শ্মশানঘাট এলাকার পোস্তগোলা-ফরিদাবাদ প্রধান রাস্তাটি খোঁড়াখুঁড়ির কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন এখানকার লৌহ ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। চলাচল করতে পারছে না কোন পণ্যবাহী পরিবহনও।
সরকার আয়রণ ট্রেডার্স'র মো. আপেল জানান, সংস্কারকাজের ধীর গতির কারণে সমস্যা তো হচ্ছেই। মালামাল আনা-নেওয়া করা যাচ্ছে না। তবে ধৈর্য ধরা ছাড়া কোন উপায় নাই।
এম, এম আয়রণ স্টোরের মালিক রাসেল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভেকু দিয়ে রাস্তা ভাঙতে সময় লাগে ১০ মিনিট। কিন্তু কাজ শেষ করতে কয়েক মাস পার হয়ে যাচ্ছে। রাস্তা ভাঙার কারণে গাড়ি ঢুকতে পারছে না। ফলে অনেক দূরে দোকানের মালামাল ওঠাতে-নামাতে হয়। এতে শ্রমিক খরচ বেশি পড়ে।
রাস্তায় চলাচলরত সদরঘাট থেকে লেগুনায় আসা পথচারী হোসনে আরা বলেন, একদিকে প্রচণ্ড গরম অন্যদিকে বোঝা নিয়ে হেঁটে চলাচল খুবই কষ্টকর।
মিটফোর্ড হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়ার সময় রোগীর আত্মীয় হরিনাথের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, এই পথ দিয়ে বাবুবাজার মিটফোর্ড হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু রিকশাসহ কোন যানবাহন চলাচল করতে না পারায় পড়েছি চরম বিপাকে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. মাসুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ সব সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। রাস্তাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ চলছে। আশা করি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সংস্কারকাজ শেষ হবে।