কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, দেবিদ্বারে ২৪টি ইটভাটা আছে। এর মধ্যে আটটির পরিবেশ ছাড়পত্রসহ বৈধতা আছে। অন্য ১৬টির কোনো কাগজপত্র নেই। যেগুলো অবৈধ, সেগুলো ভেঙে দেওয়া হবে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভাকক্ষে ‘দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়ক’ প্রশস্ততা উন্নীতকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘ইতিমধ্যে ইটভাটা ভাঙা শুরু হয়েছে, আজকেও ভাঙা হচ্ছে। ইটভাটা ভাঙতে জনবল, ভাঙার যন্ত্রপাতির প্রয়োজন। তাই এক দিনে সব ব্রিকস ফিল্ড ভাঙা সম্ভব নয়। তবে অবৈধ ১৬টি ব্রিকস ফিল্ড ক্রমান্বয়ে ভাঙা হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি দেখা হয় না। যা করছে, তা পরিবেশ মন্ত্রণালয় করছে। এখন থেকে আমাদের ইটের ওপর নির্ভর না করে ব্লকের ওপর উৎসাহিত হতে হবে। কোনোভাবেই পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে অবৈধভাবে দেবিদ্বারে ব্রিকস ফিল্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।’
এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘এখন আমাদের মাদক নির্মূলে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিযান চললে একদল বলবে—আমরা কী করে খাব? আমাদের স্ত্রী, পুত্র-সন্তানদের কী খাওয়াব? তখন আমাদের কি কিছু বলা বা করার থাকবে? আমরা গোমতী নদীর মাটি কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। একদল রাজপথে মিছিল নিয়ে বেড়িয়েছেন, তাঁরা আইনগতভাবে মাটি কাটার সুযোগ চান। আচ্ছা বলেন তো, চোর যদি চুরির স্বাধীনতা চায়, এটা আপনি কীভাবে দেখবেন? এখানে কী করার আছে?’
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টের অভিযানে দেবিদ্বার চরবাকর এলাকায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় তিনটি ইটভাটা (মেসার্স সোনিয়া ব্রিকস, মেসার্স রাসেল ব্রিকস ও মেসার্স দেবিদ্বার ব্রিকস) গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।