হোম > সারা দেশ > নোয়াখালী

সেতুমন্ত্রীর ভাতিজা ও ভাগনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ৭ পুলিশ আহত

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাতিজা তাশিক মির্জা ও ভাগনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সালেকিন রিমনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সাত পুলিশ আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ৮টায় উপজেলার ৬ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বামনী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

তাশিক বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছেলে ও সিরাজিস সালেকিন রিমন মির্জা ও সেতুমন্ত্রীর ভাগনে।

এ ঘটনায় আহতরা হচ্ছেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন, উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল আউয়াল সুমন, মো. আবদুল মোমেন, কনস্টেবল মো. আলমগীর হোসেন, মো. তানভীর আহাম্মেদ, উথোয়াই চিং রোয়াজা ও বিধান দেবনাথ। তাঁদেরকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কাদের মির্জার হাতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উল্যা লাঞ্ছিতের ঘটনায় সন্ধ্যায় বামনীতে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ প্রার্থী ভাগনে সিরাজিস সালেকিন রিমনের সমর্থকেরা ঝাড়ু মিছিল বের করে। পরে কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে তাদের সমর্থিত প্রার্থী ইকবাল বাহার চৌধুরীর সমর্থকেরা পাল্টা মিছিল বের করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে সংঘর্ষকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। এতে ওসিসহ সাত পুলিশ আহত হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও এক-দেড় শ অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা রুজু করা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের হামলায় মেয়রপুত্র মির্জা মাশরুর কাদের তাশিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, রামপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজিস সালেকিন রিমন (কাদের মির্জার ভাগনে) ও সাবেক চেয়ারম্যান আনছার উল্যাহর নেতৃত্বে আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে কাদের মির্জার ভাগনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজিস সালেকিন রিমন ও হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এখানে কোথাও হামলার ঘটনা ঘটেনি। কাদের মির্জা দুপুরের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এসব অভিযোগ করছেন।

সাবেক চেয়ারম্যান আনছার উল্যাহ বলেন, ‘দুপুরে কাদের মির্জার হাতে লাঞ্ছিত হওয়ায় পর আমি খুব বিপর্যস্ত ছিলাম। তাই বিকেল বা সন্ধ্যায় আমি বাজারেই উঠিনি।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ৭ম ধাপে রামপুরসহ কোম্পানীগঞ্জের আট ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুপক্ষের কোন্দলের কারণে কোনো পক্ষকেই নৌকা প্রতীক দেয়নি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

বিএনপির ৯ জন খুন দুই নেতার বিরোধে

সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুরাদনগরে ঝাড়ুমিছিল

চট্টগ্রামে চা বোর্ডের জমি থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে আরএসআরএমের কারখানা

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতা রুবেল হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক মন্ত্রী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ গ্রহণ

চৌদ্দগ্রামে ট্রাক্টরচাপায় কিশোর নিহত

অস্ত্র হাতে ছবি ভাইরাল, রাঙ্গুনিয়ায় যুবক গ্রেপ্তার

রাঙ্গুনিয়ায় বাসের ধাক্কায় দুই স্কুলছাত্র নিহত

বিদ্যালয় নির্মাণের নামে পাহাড় কেটে সাবাড়

নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রবেশে কড়াকড়ি