চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতার নেতৃত্বে একটি বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ওই দুই নেতা আপন ভাই। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জঙ্গলখাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত দুই সহোদর হলেন ওহিদুল ও শহিদুল। ওহিদুল জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। শহিদুল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক।
এ ঘটনায় মুহাম্মাদ মামুন নামের এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, ওহিদুল ও শহিদুল মিলে তাঁর বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ সময় টিনশেড আধা পাকা ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র, চারপাশের টিনের বেড়া ও ইটের দেয়াল ভাঙচুর করা হয়।
মামুন জানান, খবর পেয়ে বাড়িতে গিয়ে তিনি ও তাঁর স্ত্রী হামলাকারীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের ওপরও হামলা চালান।
মামুনের দাবি, একজন রামদার উল্টো পাশ দিয়ে, আরেকজন ধারালো দায়ের উল্টো পাশ দিয়ে ও অন্য দুজন লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এতে তাঁর ঘাড়, পিঠ, হাত ও ডান পায়ে আঘাত লাগে। তাঁর স্ত্রীও হামলায় আহত হন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় লোকজন পরে তাঁদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
মামুন বলেন, ‘অন্যায়ভাবে আমার বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল নেতা শহিদুল। তাঁর দাবি, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কাজ করতে যাওয়ায় তিনি বাধা দিয়েছেন। ধারালো অস্ত্র হাতে তাঁর যে ছবি প্রচার করা হচ্ছে, সেটি সত্য নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’