চট্টগ্রামে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আলু কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দু-এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্য খোলা চিনি ১১০ টাকা থাকলেও ১৩০ টাকায় কেজি বিক্রি হচ্ছে। দুই দিন থেকে ডিম ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চিনির সরবরাহ কম। তাই দাম বাড়ছে। বাড়তি দামে ডিও (ডিমান্ড অর্ডার) কেনার পরও ঠিক সময়ে চিনি সরবরাহ পাচ্ছেন না। তাই সরবরাহের সংকটেই বাজারে চিনির দাম বাড়ছে। অন্যদিকে মুদিদোকানিরা বলছেন, ভোগ্যপণ্যের অন্যতম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে চিনির দাম বেড়েছে, তাই খুচরায় চিনির দাম বাড়ছে।
নগরীর চৌমুহনী কর্ণফুলী মার্কেটের সরকার স্টোরের মালিক মো. খোকন মিয়া বলেন, আজ সোমবার পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে পেঁয়াজ ৭৮ টাকা কেজি কেনা হয়েছে। ৮৫ টাকার কম পেঁয়াজ কেজি বিক্রি করতে পারেন না। প্যাকেটজাত চিনি বাজারে সরবরাহ নেই। খোলা চিনি ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
সরকারের নির্ধারিত দরে কেন বিক্রি করছেন না—এমন প্রশ্নে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘পাইকারেরা আমাদের সরকারের নির্ধারিত দরে দিচ্ছে না। আমরা কীভাবে বিক্রি করব। নিয়মিত ক্রেতাদের জন্য রাখতে হচ্ছে। আমাদের এখন পাইকারিতে কিনতে হয় ১২৪ টাকার ওপরে।’
হালিশহরের বাসিন্দা মো. ফখরুল আলম বলেন, ‘এ সময়ে আলুর কেজি ৪০ টাকা হওয়ার কথা না। পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা হলে পরিবার নিয়ে কীভাবে সংসার চালাব।’