হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

সাজিনাস হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু: সিআইডিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সাজিনাস হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে সাত চিকিৎসকসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলা সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে ঘটনার বিষয়ে মতামত দিতে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এ আদেশ দেন।

আদালত আদেশে পরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নন, এমন একজন তদন্তকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে অভিযোগটি তদন্ত করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে মতামত দিতে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়কে বলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার নগরের বায়েজিদ থানাধীন কসমোপলিটন এলাকার বাসিন্দা ও মারা যাওয়া নবজাতকের মা আমাতুল মাকনুন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম আদালতে মামলার আবেদন করেন।

মামলার আসামিরা হলেন ডা. আনোয়ার হোসেন, ডা. ফয়সাল আহমেদ, ডা. আদনান ওয়ালিদ, ডা. মো. মিনহাজুল হাসান, ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. মো. ফজলে মারুফ, ডা. মো. তামিম সাফায়েত চৌধুরী ও সাজিনাস হসপিটাল লিমিটেডের পরিচালক হাসান মাহমুদ চৌধুরী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভাশীষ শর্মা বলেন, নবজাতকের মৃত্যু হতে পারে জেনেও অদক্ষতা, চরম অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে অপরাধের দায় এড়াতে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ও কেস সামারিতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৫ মে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তাঁর পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার কারণে শিশুটিকে সাজিনাস হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিনের চিকিৎসায় শিশুটির অবস্থার উন্নতি হলেও হঠাৎ তার বাঁ হাতে গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। পরে হাতের কয়েকটি আঙুল কালো হয়ে যায় এবং গ্যাংগ্রিন ছড়িয়ে পড়ে।

নবজাতকের মা অভিযোগ করেন, শুরুতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়নি। পরিস্থিতির অবনতি হলে ১ জুন শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, সংক্রমণ অনেক দূর ছড়িয়ে গেছে। জীবন বাঁচাতে হাত কেটে ফেলার পরও শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ৪ জুন শিশুটি মারা যায়।

আমাতুল মাকনুন বলেন, ‘ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা আমাদের জানিয়েছেন, ভুল চিকিৎসা ও অনভিজ্ঞতার কারণেই আমার সন্তানের এই অবস্থা হয়েছে।’

হালদা ভ্যালি চা-বাগানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদচেষ্টার অভিযোগে মানববন্ধন

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সমঝোতার অভিযোগ

চট্টগ্রামে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ পুলিশের গাড়ি

রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১

চমেক এলাকার অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৩০ মিনিটে ১৩ কেজি চা-পাতা সংগ্রহ করে জেসমিনের সম্মাননার হ্যাটট্রিক

চট্টগ্রামে দিনদুপুরে মসজিদে ঢুকে দুই লক্ষাধিক টাকা চুরি, আটক ২

চট্টগ্রাম বন্দর: ৩০ মিলিয়ন ডলারে কেনা ৪ গ্যান্ট্রি ক্রেন পিসিটিতে যুক্ত হচ্ছে

প্রেম করে বিয়ে, সাত মাস পর হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে স্বামী লাপাত্তা

সীতাকুণ্ডে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ ৮ জন আহত