দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আনা নতুন ইঞ্জিনগুলো (লোকোমোটিভ) পুরোনো লাইনে অচল। কারণ ২০০০ হর্স পাওয়ারের বেশি শক্তির এসব ইঞ্জিন অনেক বড়। এর ওজনও বেশি। সে জন্য এসব ইঞ্জিনের পরীক্ষা হবে কর্ণফুলীর কালুরঘাট সেতুতে। শত বছরের পুরোনো এই সেতুটি সংস্কার করা হয়েছে। এই রুট দিয়ে চলবে কক্সবাজার ট্রেন। সেতুটি তাই এর ভার সইবে কি না, সে জন্য এই পরীক্ষা।
রেল পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিঞা আজকের পত্রিকাকে বলেন, কালুরঘাট সেতু সংস্কার করে নতুন ট্রেন চালানোর উপযোগী করা হয়েছে। ১১ নভেম্বর কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলবে। সে জন্য কালুরঘাট সেতুতে নতুন ইঞ্জিনের ট্রায়াল রানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আবু জাফর মিঞা আরও বলেন, শনিবার ২৯০০ ও ৩০০২ সিরিজের নতুন ইঞ্জিন পরীক্ষা করা হবে। সেতু দিয়ে ঠিকমতো চলতে পারছে কি না, বা কোনো সমস্যা দেখা দিচ্ছে কি না এসব দেখা হবে।
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে রেলওয়ের জন্য ৩০টি নতুন ইঞ্জিন কেনা হয়েছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকায়। কিন্তু দেশের পুরোনো লাইনে এসব ইঞ্জিন ব্যবহার করা যায় না। কারণ ২০০০ হর্স পাওয়ারের বেশি শক্তির ইঞ্জিনগুলো পুরোনো লাইনে চলতে অক্ষম। তবে বর্তমানে যেসব নতুন রুট তৈরি করা হয়েছে, এসব রুটে ইঞ্জিনগুলো চলবে।
কালুরঘাট সেতুটি শত বছরের পুরোনো। অনেক আগেই এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। অনেক হিসাব-নিকাশ করেই এই সেতু দিয়ে ছোট ট্রেন চালাতে হতো। দোহাজারী-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলো অনেক ভারবাহী। রেলওয়ে তাই সেতুটিকে সংস্কার করে। বলা হচ্ছে, বর্তমানে এই সেতু দিয়ে নতুন ট্রেন চলাচল করতে পারবে।