হোম > সারা দেশ > নোয়াখালী

স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা, প্রাইভেট শিক্ষককে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা হত্যা মামলায় প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজ সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) স্পেসল্যাব চৌধুরী প্রমোজ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকের কাছে চূড়ান্ত অভিযোগপত্রটি হস্তান্তর করেন।

অভিযোগপত্রে গ্রেপ্তার আসামি মো. ইস্রাফিলকে (১৪) মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাত মাসের মধ্যে আলামত, ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট ও আসামির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তির কাগজপত্রসহ অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) স্পেসল্যাব চৌধুরী প্রমোজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডিএনএ টেস্টে মামলার একমাত্র অভিযুক্ত আসামি আবদুর রহিম রনির জামায় অদিতার রক্ত পাওয়া গেছে। স্কুলছাত্রী অদিতাকে ধর্ষণের চেষ্টার পর গলা কেটে হত্যা করেছিল তার প্রাইভেট শিক্ষক রনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে রনির দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মাইজদী পৌর এলাকার মিস্ত্রি বাড়ির পুকুর থেকে অদিতাদের ঘরে লাগানো তালার চাবি উদ্ধার করা হয়। যে বালিশ দিয়ে তাকে চাপা দেওয়া হয়েছিল সে বালিশটিও উদ্ধার করা হয়েছে। ধস্তাধস্তির আঘাতের দাগও পাওয়া গেছে রনির মাথার অংশে। এ মামলায় ৩১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।’

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ্ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিহত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতার প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে একমাত্র আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আগামী ৭ মে অভিযোগপত্রটি ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মোসলে উদ্দিন মিজানের আদালতে উপস্থাপন করা হবে।’

উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালী পৌর এলাকার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার নিজ বাসায় খুন হন নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪)। ওইরাতে জাহান মঞ্জিলের একটি কক্ষ থেকে অদিতার রক্তাক্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

যা অর্ধনগ্ন, গলা ও দুই হাতের রগ কাটা অবস্থায় বিছানায় পড়ে ছিল। ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনি ঘরে থাকা ছোরা দিয়ে অদিতার হাত ও গলা কেটে রাখে। একই সঙ্গে ঘরে আলমারিতে থাকা মালামাল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে। ঘটনায় জড়িত থাকা সন্দেহে তাৎক্ষণিক অদিতার প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনিসহ (৩২) তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার পরদিন নিহত অদিতার মা রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর ২৪ সেপ্টেম্বর আবদুর রহিম রনি হত্যার দায় স্বীকার করে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. এমদাদ আলীর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে

ফেনী হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে রান্না করার ঘটনায় দুই নার্স বরখাস্ত

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস ঢুকল ফলের দোকানে

চট্টগ্রামে পোর্ট কলোনিতে মোটরসাইকেলচালকের ছুরিকাহত মরদেহ, পুলিশ বলছে হামলা অন্য এলাকায়

ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হতেই ছোঁ মেরে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় ফটিকছড়ির এক পরিবারের তিনজন নিহত

ফটিকছড়িতে গুলিতে নিহত ১

মিরসরাইয়ে পুলিশ পরিচয়ে পোলট্রি ফার্মে ঢুকে ডাকাতি, মোটরসাইকেলসহ মালপত্র লুট

শিক্ষককে হেনস্তার পর টেনেহিঁচড়ে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গেলেন চাকসুর শিবির নেতারা

প্রভাবশালী ব্যবসায়ী থেকে ঋণখেলাপি, ৫০ বছরের বন্ধুত্বে ফাটল