হোম > সারা দেশ > নোয়াখালী

সুবর্ণচরে চেতনানাশক খাইয়ে ইমামের বাড়িতে চুরি

নোয়াখালী (সুবর্ণচর) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মসজিদের পেশ ইমাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের সাতাশ দ্রোণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের স্বজনেরা জানিয়েছেন।

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন মো. দেলোয়ার হোসেন (৪২), মাছুমা খাতুন (৩৫) ও আবু দাউদ (৩)। হাফেজ মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসেন সাতাশ দ্রোণ জামে মসজিদের পেশ ইমাম এবং একই এলাকার বাসিন্দা।

তাঁদের আত্মীয় আহমেদ উল্লা বলেন, গতকাল রাত ১১টার দিকে দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের লোকজন রাতে খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়েন। দুর্বৃত্ত চক্র কৌশলে আগেই তাঁদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে রেখেছিল। পরে সবাই অচেতন হয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা শোবার ঘরের দরজা খুলে একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ অন্তত ৪ লাখ টাকার মালামার নিয়ে যায়।

আহমেদ উল্লা জানান, শুক্রবার সকালে অচেতন অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে চরজব্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চর আমান উল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ওই ইমামের বাড়ির পাশে শ্বশুরবাড়ি। পাশের নানাবাড়িতে থাকা পাঁচ বছর শিশু এসে মা-বাবাকে ডাকলে কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় কান্নাকাটি করতে থাকে শিশুটি। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বউভাতে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কনের নানি নিহত

৯ জুলাই যোদ্ধা চাকরি পেলেন চট্টগ্রাম বন্দরে

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন’

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়, মাথার খুলির এক পাশ খুলে রাখা হয়েছে

মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা

চট্টগ্রামে নালা থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

সড়ক থেকে উদ্ধার সেই শিশু দাদির জিম্মায়, বাবা কারাগারে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পুলিশ সদস্য হত্যা মামলায় ১০ জনের যাবজ্জীবন

মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফের গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে