চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের দুই পক্ষের অন্তঃকোন্দলের জেরে একটি আবাসিক হলের অন্তত ১০টি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ সময় ছাত্রলীগের দুই কর্মী আহত হন। আজ বুধবার বেলা একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে এই ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষকদের নামফলক, জানালার কাচ ভেঙে ফেলা হয়।
ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, আলাওল ও এফ রহমান হল থেকে ২০-২৫ জন কর্মী সোহরাওয়ার্দী হলে এসে অতর্কিত এই হামলা চালান। এ সময় সংঘর্ষে দুজন আহত হন। এ ঘটনার পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পক্ষ সোহরাওয়ার্দী হল ও অপর পক্ষ কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অবস্থান নেয়। বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের এখানে আহতাবস্থায় দুজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। একজন মাথায় ও আরেকজন হাতে ব্যথা পেয়েছেন।’
এ বিষয়ে জানতে বিজয় গ্রুপের এক অংশের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াসকে কল দিলে তিনি কল কেটে দেন। তবে বিজয় গ্রুপের আরেক অংশের নেতা জাহিদুল আওয়াল এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানতে চাইলে সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। হলের অফিস বল্কের বেশ কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা প্রক্টরকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূইয়া বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।