নগরের দক্ষিণ কাট্টলিতে ‘মুছা এন্টারপ্রাইজ’ নামে ফটোকপি ও কম্পিউটার কম্পোজ দোকানের মালিক মো. খালেক। তাঁর দোকানটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে মাত্র ২০ গজ দূরে। সেইখানে বসেই দীর্ঘদিন ধরে কাউন্সিলরের সনদ জাল করে বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। এত দিন বিষয়টি গোপন থাকলেও, বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। খবর পৌঁছে যায় কাউন্সিলর অফিসেও। এরপর সোমবার জাল সনদ বানানোর সিল ও ল্যাপটপসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন মো. খালেক।
মো. খালেক নগরের হালিশহরের চিপা পাড়ার মো. ফজলুল হকের ছেলে।
১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, সোমবার এক নারী ওয়ার্ড অফিসে এসে আগের একটি জাতীয়তা সনদ দেখিয়ে নতুন করে আরেকটি সনদ নিতে চান। এ সময় ওয়ার্ড অফিসের কর্মচারীর পুরোনো সনদটি দেখে সন্দেহ হলে তা যাচাই বাছাই করেন। পরে বেরিয়ে আসে মহিলার কাছে থাকা সনদটি জাল। মহিলার কাছে সনদটির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি তা পাশের মুছা এন্টারপ্রাইজ থেকে কদিন আগে ১৫০ টাকার বিনিময়ে নিয়েছেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হলে আমরা থানায় মামলা করি।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাঁর কাছ থেকে সনদ জাল করার একটি সিল ও ল্যাপটপ জব্দ করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সনদ জাল করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। এর আগে এভাবে কতগুলো সনদ তিনি জাল করেছেন তা তদন্তে জানা যাবে।’