পটিয়া উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে একটি হাফেজি মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত শিশুটি। বেশ কয়েক দিন ধরে তার শারীরিক কিছু সমস্যা হওয়ায় অভিভাবকেরা ভেবেছিলেন পাইলসজনিত সমস্যা। কিন্তু চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরই আতঙ্ক, অসহায়ত্ব আর ক্ষোভ গ্রাস করে তাঁদের। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, এটি পাইলস নয়, শিশুটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
এরপর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, মাদ্রাসার শিক্ষক আজিজ উল্লাহ (২০) তাকে ধর্ষণ করেছেন। আর এ কাজে মাদ্রাসার তিন শিক্ষার্থী সহযোগিতা করেছে বলেও সে অভিযোগ করে।
অভিযোগ রয়েছে, শুরুতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গতকাল শনিবার অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজ উল্লাহকে আটক করা হয়।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আজিজ উল্লাহকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের থানায় হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি। মামলা হলে এই ঘটনায় আজিজ উল্লাহকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।