ভোলার দৌলতখানে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মেদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালানোর সময় জামায়াত-বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অতর্কিতভাবে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। তাদের সমাবেশ বিকেলে অথচ তারা সকাল থেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পতাকা বেঁধে মিছিল করে। আমাদের হাতে কিছু ছিল না, কিন্তু তারা ওই লাঠি দিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। এতে আমাদের ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছে। তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।’
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. হাসান তারেক বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার সময় কোনো কারণ ছাড়াই অতর্কিতভাবে ওই এলাকার বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জামায়াত-শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তাদের জন্য আমরা প্রচারণা চালাতে পারছি না। আমরা আইনের কাছে সুশাসন চাই।’ তিনি জানান, হামলার ঘটনায় তাঁদের অন্তত ৭-৮ জন আহত হয়েছেন। সবাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে, তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।