ভোলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপড়ে পড়েছে গাছপালা। কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটিও পড়ে গেছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় জেলা সদরের সব এলাকায় বিদ্যুৎ-সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার সকালে এই ঝড় বয়ে যায়।
ভোলা শহরের হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট জহুরুল ইসলাম খুসবু বলেন, সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। এরপরই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিদ্যুৎ-সরবরাহ। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ-সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
ভোলা শহরের উকিল পাড়ার বাসিন্দা মো. জালাল আকবরী শিবলী বলেন, ‘আমাদের বাসার সামনের মুসলমান পাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ঝড়ের কবলে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। সেই গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে।’
এদিকে ভোলা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র ওজোপাডিকো জানায়, বুধবার সকালের ঝড়ে ভোলা পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ৪০-৫০টি স্পটে গাছ পড়েছে। কোথাও তার ছিঁড়ে পড়েছে। খুঁটি ভেঙে গেছে। বিদ্যুৎ চালু হতে সময় লাগবে।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) লাইনম্যান মো. হারুন অর রশিদ বলেন, বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে ভোলা পর্যন্ত বিদ্যুৎ লাইনের ওপরে অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে। অন্তত দুটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ভোলার শতাধিক স্পটে রেইনট্রি ও মেহগনিসহ বিভিন্ন গাছ ভেঙে পড়েছে। মেরামতের কাজ চলছে।
জানতে চাইলে ওজোপাডিকো ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ আজ বুধবার দুপুরে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঝড়ে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনালসহ সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় অনেক গাছ পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ও তার ছিঁড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ-সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের কর্মীরা মেরামতের কাজ করছেন। মেরামত কাজ শেষে বিদ্যুতের মেইন লাইন চালু করতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ-সরবরাহ স্বাভাবিক করতে গভীর রাত হতে পারে বলেও জানান ওজোপাডিকো ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী।