বরিশালের মুলাদীতে বিএনপি নেতা শুক্কুর আলী ব্যাপারী (৪০) হত্যার ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিহতের বাবা আব্দুস ছত্তার ব্যাপারী বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় প্রধান আসামি রহমত উল্লাহ ফরাজীকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে মামলার ২ নম্বর আসামি গাছুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. বারেক ফরাজীকে (৩২) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার কোতোয়ালি থানার বাবুবাজার এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) বরিশাল-৮ (সদর কোম্পানি) ও ঢাকা-১০ (সিপিসি-১) ইউনিট। এ সময় মামলার প্রধান আসামি রহমত উল্লাহ ফরাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার ২ নম্বর আসামি মো. বারেক ফরাজীকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পদ থেকে বহিষ্কার করেছে মুলাদী উপজেলা ছাত্রদল। গতকাল উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঢালী ও সদস্যসচিব জুলফিকার আহম্মেদ বিলালের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নিহত শুক্কুর আলী ব্যাপারী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চরধলেশ্বর গ্রামের আব্দুস ছত্তার ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নে জুয়া খেলা ও মাদক কারবার বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় হামলার শিকার হন শুক্কুর আলী। পরে ১৫ অক্টোবর ভোর ৪টার দিকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।