হোম > আড্ডা

কার্জনের ইতিহাস

সম্পাদকীয়

১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই প্রথম পূর্ব বাংলায় কোনো ভাইসরয়ের আগমন ঘটে। ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল জর্জ নাথানিয়েল কার্জন ঢাকায় এসে এক উৎসবমুখর পরিবেশে কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। লর্ড কার্জনের নামে একটি সাধারণ পাঠাগার নির্মাণ করার জন্য ভাওয়াল এস্টেটের রাজকুমাররা তখন দেড় লাখ টাকা দান করেন।

১৯০৮ সালে এই পাঠাগার তথা কার্জন হলের নির্মাণকাজ শেষ হয়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে এখানে ঢাকা কলেজের ক্লাস নেওয়া শুরু হয়। পরে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে এটি ব্যবহার করা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের জন্য। প্রচলিত আছে, মোগল সম্রাট আকবরের ফতেহপুর সিক্রির দিওয়ান-ই-খাসের অনুকরণে লাল বেলেপাথরের পরিবর্তে ব্রিটিশরা গাঢ় লাল ইট দিয়ে নির্মাণ করে কার্জন হল, যেন এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় তাদের দাপট এই উপমহাদেশে সম্রাট আকবরের মতোই!

ছবি: সংগৃহীত, ১৯০৮

অগ্নিযুগের শেষ বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী

সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ততার পরিপ্রেক্ষিত

পাবনার জোড়বাংলা মন্দির

বেলা টারের সিনেমা দেখতে বসে মিস্টার টাইমকে বলি, গেট আউট

ইতিহাসের বাঁকবদল: যুক্তরাষ্ট্রের তেলসংকট ও নিক্সনের অন্য রকম যুদ্ধ

সৌন্দর্য ও শিল্পের মধ্যে সম্পর্ক

মাদারীপুরের মাখন টোস্ট

ফেনী কলেজ বধ্যভূমি

রাজবাড়ী বধ্যভূমি

লেখা ছেড়ে দেওয়া বিষয়ে