হোম > আড্ডা

পুঁথির জাদুঘর

সম্পাদকীয়

কুমিল্লা শহরে ১৯১২ সালে শিক্ষানুরাগী মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠা করেন রামমালা পাঠাগার। শতাধিক বছরের এই পাঠাগারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, এখানকার পুঁথি বিভাগে সংরক্ষিত আছে লালসালু মোড়ানো আট হাজারের বেশি প্রাচীন পুঁথি। তাই পাঠাগারটিকে পুঁথির জাদুঘর বলাই যায়। হাতে লেখা বাংলা ও সংস্কৃত ভাষার পুঁথিগুলোর বিষয় ইতিহাস, প্রাচীন মহাকাব্য, বাংলা গীতি, সাহিত্য, চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদি। পাণ্ডুলিপিগুলো তালপাতা, কলাপাতা, তুলট কাগজ, কাঠসহ নানা উপাদানের ওপর লেখা। পাঠাগার-সংলগ্ন ঈশ্বর পাঠশালার ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীরা এসব পুঁথি সংগ্রহ করেন। অনেকে নিজ উদ্যোগে এখানে পুঁথি জমা দিয়ে যান। পুঁথি নিয়ে গবেষণা করার জন্য অনেকে আসেন এখানে। ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রামমালা পুঁথি বিভাগের প্রায় আড়াই হাজার পুঁথি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মাইক্রোফিল্ম করে। পাঠাগারের গবেষণা বিভাগে ভারতীয় সংস্কৃতি, বেদ ও তুলনামূলক ধর্মগ্রন্থের ছড়াছড়ি। সাধারণ বিভাগে বিভিন্ন ধরনের ৩০ হাজার বইয়ের পাশাপাশি রয়েছে পুরোনো বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন পত্রিকা।

ছবি: সংগৃহীত

‘আমাদের কথা লিখে রাখতে হবে’

১৯ বছর আগের এক নিঃসঙ্গ পেঙ্গুইনে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছে নেটিজেনরা

কয়েকজন দার্শনিকের কথা

মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম

বিদেশি বিনিয়োগের দরকার নেই

মণিপুরি জাদুঘর

অগ্নিযুগের শেষ বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী

সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ততার পরিপ্রেক্ষিত

পাবনার জোড়বাংলা মন্দির

বেলা টারের সিনেমা দেখতে বসে মিস্টার টাইমকে বলি, গেট আউট