হোম > নারী

শ্রমজীবীদের অধিকার আদায়ে পলিন

ফিচার ডেস্ক 

১৯০৯ সালের নভেম্বর। নিউইয়র্ক সিটির রাস্তায় ৪০ হাজারের বেশি নারী কারখানা শ্রমিক অনুন্নত কর্মপরিবেশ এবং কম মজুরির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন। সেই বিক্ষোভের কৌশল পরিকল্পনাসহ বিক্ষোভকারীদের একত্র করার কাজ করছিলেন এক নারী। শুধু এটাই নয়, অ্যান মরগান এবং আলভা বেলমন্টের মতো নিউইয়র্কের অত্যন্ত প্রভাবশালী মানুষের তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে এনেছিলেন। এই বুদ্ধিমতী ও লড়াকু নারীর নাম পলিন এম নিউম্যান। 

ইন্টারন্যাশনাল লেডিস গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বা আইএলজিডব্লিউইউর প্রথম নারী সংগঠক ছিলেন পলিন। সংগঠনটির স্বাস্থ্যকেন্দ্রের শিক্ষা পরিচালক হিসেবে প্রায় ৬০ বছর ধরে নিরলস কাজ করেছেন এই শ্রমকর্মী।

পলিন বিশ্বাস করতেন, ইউনিয়নে যোগ দিয়ে অর্থনৈতিক শক্তি অর্জনের পর নারী শ্রমিকদের ব্যালটের শক্তি প্রয়োজন। এ দুই ধরনের শক্তি একসঙ্গে ব্যবহার শ্রমিকদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করবে। কিশোরী বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতান্ত্রিক দল তাঁকে নিউইয়র্কে সেক্রেটারি অব স্টেটের জন্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছিল। 

পলিন এম নিউম্যানের জন্ম ১৮৮৭ সালের ১৮ অক্টোবর, লিথুয়ানিয়ার কাউনাসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও শ্রম বিভাগের তত্ত্বাবধানে জার্মানিজুড়ে যুদ্ধ-পরবর্তী কারখানার অবস্থা পর্যালোচনা করার জন্য কমিশন গঠন করা হয়েছিল, সেখানে ছিলেন পলিন। ট্রুম্যান প্রশাসনের অধীনে মার্কিন জনস্বাস্থ্য পরিষেবার পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালের ৮ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিটিতে মারা যান এই নারী শ্রম অধিকারকর্মী।

তেঁতুলিয়ার ‘লিলি আপা’: ১,৪২০টি স্বাভাবিক প্রসব করিয়েছেন যিনি

১০১ বছরেও কিশোরীর প্রাণশক্তিতে জিয়াং

পৌরোহিত্য শুধু ধর্ম নয়, এটি নারীর সমান অংশীদারত্বের দাবি

চলমান এক নদীর নাম অপরাহ উইনফ্রে

নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ

জামায়াত সমর্থকদের ‘সাইবার বুলিংয়ের’ শিকার ডাকসু সদস্য হেমা চাকমা

ইরান পরিস্থিতি: নারীত্বের জয়গান যেখানে বিদ্ধ বুলেট আর শৃঙ্খলে

ক্রমাগত নেতিবাচক চিন্তা ও মন খারাপ বিষণ্নতার কারণ

কেমন হবে নতুন দিন

সার্জনস হল রায়ট ও সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক