হোম > ল–র–ব–য–হ

২০২৬ নিয়ে নস্ত্রাদামুসের ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী: আছে নয়া ফ্যাসিবাদের উত্থান ও মহাযুদ্ধ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফরাসি জ্যোতিষী ও চিকিৎসক মিশেল দে নস্ত্রাদামুস। ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনেই বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ষোড়শ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসি জ্যোতিষী ও চিকিৎসক মিশেল দে নস্ত্রাদামুস (১৫০৩-৬৬) ২০২৬ সালের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো এখন নতুন করে আলোচনায়। তিনি অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান, ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা এবং সাম্প্রতিক কোভিড-১৯ মহামারির নির্ভুল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। ১৫৫৫ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘লে প্রফেতিস’-এর ৯৪২টি কাব্যিক শ্লোকের মধ্যে ২৬ নম্বর শ্লোক নতুন বছরের জন্য অভিশপ্ত বলে দাবি করছেন ষড়যন্ত্রতত্ত্ববিদেরা।

গত বছর (২০২৫) সালে নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে ছিল, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান, পৃথিবীতে গ্রহাণুর আঘাত, ব্রাজিলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং ‘প্রাচীন প্লেগ’ মহামারির ফিরে আসা।

এখানে ২০২৬ সালের জন্য নস্ত্রাদামুসের সেই চাঞ্চল্যকর ও বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণীগুলো তুলে ধরা হলো:

বিশ্বনেতার পতন

নস্ত্রাদামুসের প্রথম অধ্যায়ের ২৬ নম্বর শ্লোকে উল্লেখ আছে, ‘দিনের বেলায় মহান ব্যক্তি এক প্রবল বজ্রপাতে ভূপাতিত হবেন।’ এটি নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ঘুম হারাম হওয়ার জোগাড়। তাঁদের মতে, কোনো পরাক্রমশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা অত্যন্ত জনপ্রিয় কোনো বিশ্বনেতা প্রকাশ্যে বজ্রপাতে (যা অনেক সময় ড্রোনের হামলা বা অত্যাধুনিক অস্ত্রের রূপক হিসেবে ধরা হয়) প্রাণ হারাবেন। এর ফলে বিশ্বরাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে এবং অনেক দেশে সামরিক শাসন জারির পথ প্রশস্ত হতে পারে।

সুইজারল্যান্ডের শান্ত লেকে রক্তের স্রোত

ভৌগোলিক দিক থেকে নির্দিষ্ট করা এক শ্লোকে নস্ত্রাদামুস হুঁশিয়ার করেছেন, সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণতম অঞ্চল টিসিনো রক্তে ভেসে যাবে। ইতালীয় ভাষাভাষী এই অঞ্চলটি সাধারণত এর শান্ত হ্রদ এবং মনোরম হিমবাহের জন্য পরিচিত। নস্ত্রাদামুস লিখেছেন, ‘একটি বিশেষ অনুগ্রহ দেখানোর কারণে...টিসিনো রক্তে উপচে পড়বে।’ ষড়যন্ত্রতত্ত্ববিদেরা আশঙ্কা করছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ইতালির সঙ্গে কোনো উত্তেজনার ফলে এই নিরপেক্ষ দেশটি দীর্ঘকাল পর কোনো বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। উল্লেখ্য, বছরের প্রথম দিনেই ক্রানস-মন্টানা রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে অনেকে এই ধ্বংসযজ্ঞের ‘আলামত’ বলে প্রচার করছেন।

কালো মৌমাছি: নতুন ফ্যাসিবাদ?

সবচেয়ে অদ্ভুত ভবিষ্যদ্বাণীটি হলো, ‘বিশাল এক মৌমাছির ঝাঁক ধেয়ে আসবে...রাতে হবে অতর্কিত হামলা।’ ইতিহাসবিদদের মতে, নস্ত্রাদামুস এখানে পতঙ্গের কথা বলেননি। কালো রঙের পোশাক বা পতাকাকে নস্ত্রাদামুসের লেখনীতে প্রায়ই ‘ফ্যাসিবাদী’ বা একনায়কতান্ত্রিক শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালে বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে কেউ একজন চরম স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে এবং রাতের অন্ধকারে প্রতিবেশী রাষ্ট্র দখল করার পরিকল্পনা করবে।

সাত মাসের মহাযুদ্ধ ও বিশ্বমানচিত্রের পরিবর্তন

একটি সুনির্দিষ্ট শ্লোকে লেখা আছে, ‘সাত মাসব্যাপী মহাযুদ্ধ, অশুভ শক্তির দাপটে মানুষের মৃত্যু, অথবা রুয়েন (Rouen) এবং এভরেক্স (Evreux)-এর রাজা ব্যর্থ হবেন না।’ এটি সরাসরি একটি বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে যা মাত্র সাত মাস স্থায়ী হবে। অনেক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এটি কোনো পারমাণবিক সংঘাতের বর্ণনা হতে পারে যা দীর্ঘ সময় না চলেই পৃথিবীকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবে। দুই জন বিশ্বনেতা তাদের অহংকারের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবেন।

দক্ষিণ চীন সাগরের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

নস্ত্রাদামুসের সপ্তম অধ্যায়ের ২৬ নম্বর শ্লোকে ‘সাতটি জাহাজের নৌ-সংঘাত’-এর কথা বলা হয়েছে। আধুনিক বিশ্লেষণে মনে করা হচ্ছে, এই ‘সাত জাহাজ’ হলো দক্ষিণ চীন সাগরের সাতটি বিবদমান দেশ—চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন। এই অঞ্চলে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ যেকোনো মুহূর্তে একটি আন্তর্জাতিক নৌ-যুদ্ধে রূপ নিতে পারে যা বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দেবে।

নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী: ৭ মাসের যুদ্ধ, ভয়াবহ নৌ-সংঘাতসহ ২০২৬ সালে যা অপেক্ষা করছে

কখনো চাকরিই করেননি, সেই প্রতিষ্ঠান থেকে পেলেন বরখাস্তের চিঠি

চীনের গ্রামে লিভ টুগেদার ও গর্ভধারণ নিয়ে ‘অদ্ভুত’ আইন জারি, সমালোচনার ঝড়

৩০ বছর পর প্রথম শিশুর জন্মে খুশিতে মাতোয়ারা ইতালির এক গ্রাম

জরায়ুর বাইরে বেড়ে উঠল শিশু, অলৌকিক জন্ম দেখল ক্যালিফোর্নিয়া

অন্য নারীর ছবিতে লাইক দেওয়া বৈবাহিক বিশ্বাসভঙ্গের শামিল: তুরস্কের আদালত

বাগ্দত্তা ‘বেশি খায়’, বিয়ে ভেঙে দিয়ে ক্ষতিপূরণ চাইলেন প্রেমিক

মদের দোকানে তাণ্ডব, বাথরুমে পাওয়া গেল মাতাল র‍্যাকুন

ভারতে প্রায় কোটি টাকার এক হিরা খুঁজে পেলেন ‘শৈশবের দুই বন্ধু’

লিংকডইনে গার্লফ্রেন্ড চেয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর যা ঘটল