চীন এবং ইউরোপের যৌথ উদ্যোগে গাড়ি চালনায় যুক্ত হয়েছে স্টিয়ার-বাই-ওয়্যার।
এটি বৈদ্যুতিক সংকেতে স্টিয়ারিং ঘোরানোর প্রযুক্তি। প্রচলিত গাড়ির মতো যান্ত্রিক শ্যাফটের পরিবর্তে এই প্রযুক্তিতে চালকের স্টিয়ারিং ঘোরানোর তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত হয়। এই সংকেত নিয়ন্ত্রণ ইউনিটে পৌঁছায় এবং চাকা ঘোরে। চালকবিহীন ও বুদ্ধিমান ড্রাইভিংয়ের জন্য তৈরি এই অভিনব প্রযুক্তিতে ব্যাকআপ সিস্টেমসহ বাড়তি ডিজিটাল সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়।
সাধারণ চালকেরাও এ গাড়িগুলো সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। রাস্তায় সামনে যখনই কোনো বাঁক আসবে, তখন শুরু হবে প্রযুক্তির খেলা। তখন চালককে স্টিয়ারিং হুইল ঘোরানো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করতে হবে না। স্টিয়ারিংয়ের স্টিয়ার-বাই-ওয়্যার অথবা বুদ্ধিমান প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘোরাবে গাড়ি।
বর্তমানে ইলেকট্রিক ভেহিকল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতারা এই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রচার করছে। ফলে বৈশ্বিক সহযোগিতার কারণে চীনা বাজারে এর প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বশ হাস্কো স্টিয়ারিং কোম্পানি ইউরোপীয় নির্মাতাদের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে গতি ও গবেষণার মাধ্যমে স্থানীয় গাড়িনির্মাতাদের প্রযুক্তি সরবরাহ করছে।
প্রতিষ্ঠানটি এখন বছরে ৭৫ লাখের বেশি ইউনিট স্টিয়ারিং সিস্টেম উৎপাদন করছে।
এর বড় একটি অংশ চীনের নিজস্ব ব্র্যান্ডের গাড়িগুলোতে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। তবে বেইজিংয়ের চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন এক্সপোর তৃতীয় আসরে বিশেষ মনোযোগ পাওয়ার পর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এর চতুর্থ আয়োজনেও প্রযুক্তিটি থাকছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
সূত্র: সিএমজি