আগামী বছর থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দেশের কোনো খেলার মাঠ বা স্টেডিয়ামকে মেলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বুধবার ডিসি সম্মেলনে নিজের মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে এই তথ্য জানান আমিনুল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক কিছুই বাধ্যতামূলক করছি। আমরা ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করব।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মাধ্যমে বছরব্যাপী পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ডিসি সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে।’
জেলা পর্যায়ে মেলার জন্য খেলার মাঠ বা স্টেডিয়াম ব্যবহার নিয়ে এক প্রশ্নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়ামগুলো ব্যবহার করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও এসব মাঠ, স্টেডিয়ামে কোনো মেলা বসতে দেওয়া হবে না। জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়ামগুলোতে কিছু সংস্কার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমরা সেসব কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দেশের যতগুলো স্টেডিয়াম, সুইমিং কমপ্লেক্স রয়েছে, সেগুলো সংস্কারের মাধ্যমে আমরা সচল করতে চাই। সার্বিকভাবে এগুলো ব্যবহার করে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই।’
ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের গ্রামীণ জনপদে মাঠগুলোকে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমরা বিগত সময় দেখেছি, যেখানেই খালি স্থাপনা হয়েছে, সেখানেই দখল করতে দেখা গেছে, স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা যেখানেই খালি জায়গা পাব, সেখানে যাতে খেলার উপযোগী একটি মাঠ তৈরি করে দিতে পারি। মাঠ মানে এই না যে স্টেডিয়াম করতে হবে, গ্যালারি করতে হবে, সেখানে অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। আমরা সেদিকে যেতে চাই না। আমরা চাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, আমাদের সন্তানদের জন্য একটি খেলার উপযোগী মাঠ তৈরি করব।’