আর্জেন্টিনার কাছে ৩–১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। তবে ম্যাচ শেষে ফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে রেফারিং। কোচ মুরাত ইয়াকিনের পর এবার রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জিও। তাঁর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে একের পর এক সিদ্ধান্ত গেছে আর্জেন্টিনার পক্ষে, যা ম্যাচের গতিপথে প্রভাব ফেলেছে।
বিশেষ করে ব্রিল এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এবং ১০ জন নিয়ে বাকি সময় খেলতে হওয়ার ঘটনাটি সুইসরা বড় আক্ষেপ করছেন। আকাঞ্জির মতে, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে তাঁর দল দারুণ লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত নানা প্রতিকূলতার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি।
আকাঞ্জি বলেন, ‘এই মুহূর্তটা খুব, খুব কঠিন। ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি দলের জন্য ভীষণ গর্ব অনুভব করেছি। খোলা খেলায় তাদের একটি সত্যিকারের গোলের সুযোগও আমার মনে পড়ছে না। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে আমরা যা দেখিয়েছি, তা সত্যিই অসাধারণ। তারা আমাদের বিপক্ষে কোনো সুযোগই পায়নি।’
শুরুতেই কর্নার থেকে গোল খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ম্যাচের শুরুতে সেট-পিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে আমাদের আরও ভালো করতে হবে। কিন্তু যখন রেফারিও আপনার বিপক্ষে থাকেন, তখন বিষয়টা আরও কঠিন হয়ে যায়।’
রেফারিং নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে আকাঞ্জি বলেন, ‘ছোট ছোট প্রতিটি সিদ্ধান্তই আমাদের বিপক্ষে গেছে। ‘আর্জেন্টিনা একটি ফাউলেও শাস্তি পায়নি’, এবার বিস্ফোরক সুইস ডিফেন্ডার। আমি সাধারণত ম্যাচ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলি না, কিন্তু আজকের মতো ম্যাচ আমি আগে কখনো দেখিনি।’
লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়া ব্রিল এমবোলোর পাশেও দাঁড়িয়েছেন আকাঞ্জি। তিনি বলেন, ‘ব্রিল আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। আমরা ওর পাশে আছি এবং থাকব। আমরা জানি, একসঙ্গে থাকলেই কেবল সফল হওয়া সম্ভব।’
সুইস ডিফেন্ডার আরও বলেন, ‘আমাদের দলে হয়তো খুব বেশি এমন খেলোয়াড় নেই, যারা একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। আমাদের বিশেষত্ব পুরো দল হিসেবে। এই বিশ্বকাপে আমরা কী অর্জন করেছি, সেটা উপলব্ধি করতে এবং সবকিছু মেনে নিতে অবশ্যই কিছুটা সময় লাগবে।’