স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও ব্রাজিলের জয়ের নায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জোড়া গোলে জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। এমন পারফরম্যান্সে প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রশংসায় ভাসলেন এই উইঙ্গার। তাঁকে সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার বলেই আখ্যা দিলেন ইতালিন মাস্টারমাইন্ড।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের তিন ম্যাচেই সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন ভিনিসিয়ুস; করেছেন চার গোলও। বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে চার গোল করার কীর্তি এর আগে ব্রাজিলের হয়ে গড়েছিলেন শুধু জাইরজিনহো, রোমারিও, রোনালদো ও রিভালদো। এবার তাঁদের বসেছেন ভিনিসিয়ুস।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভিনিসিয়ুসের পারফরম্যান্সের প্রসঙ্গ টেনে আনচেলত্তি বলেন, ‘এই বিশ্বকাপে ভিনি কী করতে পারে, তা নিয়ে আমার কখনো সন্দেহ ছিল না। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা তার জন্য গর্বের বিষয়। সে হেডে গোল করেছে, যা তার ক্ষেত্রে বেশ বিরল। আমার কাছে ভিনি একজন শীর্ষমানের ফুটবলার। নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্যতম সেরা।’
ভিনিসিয়ুসের পজিশন নিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘শুধু প্রান্তে নয়, ভেতরেও অবস্থান বদল করে খেলাটা তার জন্য অবশ্যই সুবিধাজনক। কারণ বাইরে বল পেলে গোল করতে তাকে ছয়-সাতবার বল স্পর্শ করতে হয়। কিন্তু ভেতরে থাকলে একটি মুভমেন্টই যথেষ্ট।’
ভিনিসিয়ুসকে রক্ষণভাগের দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে রাখার কৌশল নিয়েও কথা বলেন আনচেলত্তি, ‘আমার মনে হয় দল তাকে (ভিনিসিয়ুস) কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ করে দেয়। বল ছাড়া অবস্থায় তাকে খুব বেশি কাজ করতে হয় না। ফলে আমাদের দখলে বল থাকলে সে আরও সতেজ থাকে।’
টানা দুই জয়ে ‘সি’ গ্রুপের সেরা হয়ে নকআউট পা রেখেছে ব্রাজিল। গ্রুপপর্বের বাধা পার করেই হাওয়ায় গা ভাসানোর পক্ষে নন আনচেলত্তি, ‘শুরু একাদশ কী হবে, তা আমি জানি না। কারণ বেঞ্চেও আমাদের অনেক বিকল্প আছে। তবে আমার মনে হয় দল এখন অনেক বেশি সংগঠিত ফুটবল খেলছে। প্রথম ম্যাচের তুলনায় ভুল কম হচ্ছে, ছন্দ বেড়েছে, আক্রমণে কার্যকারিতাও বেশি। মরক্কো ম্যাচের পরের দুই ম্যাচ আমাদের ভালো অনুভূতি দিয়েছে। এখন পা মাটিতে রাখতে হবে, উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে এবং নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’