শেষভাগে চলে এসেছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ফ্রান্স-মরক্কো, স্পেন-বেলজিয়াম, নরওয়ে-ইংল্যান্ড—কোয়ার্টার ফাইনালের এই তিন ম্যাচের লাইনআপ ঠিক হয়ে গিয়েছে। এখন শেষ আটের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে, সেটার ফয়সালা হবে আজ রাতে।
শেষ ষোলো শেষ হচ্ছে আজ রাতেই। আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পর মুখোমুখি হচ্ছে সুইজারল্যান্ড-কলম্বিয়া। ভ্যাঙ্কুভারে রাত ২টায় মাঠে গড়াবে এই ম্যাচ। এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড-কলম্বিয়া এখন পর্যন্ত অপরাজিত।
সুইস মিডফিল্ডার আরডন জাশারি মনে করছেন, বিশ্বকাপে এটাই হতে যাচ্ছে তাদের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। কারণ, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতেও থাকবে তুমুল উত্তাপ। গ্রুপপর্বে কানাডার বিপক্ষে স্বাগতিক সমর্থকদের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা হয়েছে সুইজারল্যান্ডের। জাশারির বিশ্বাস, কলম্বিয়ার সমর্থকেরা আরও বেশি আবেগ নিয়ে দলকে উজ্জীবিত করবেন।
তবে প্রতিপক্ষকে নিয়ে নয়, নিজেদের খেলাতেই মনোযোগ দিতে চায় সুইজারল্যান্ড। টানা ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেললেও ১৯৫৪ সালের পর আর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা হয়নি তাদের। ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২—শেষ চার বিশ্বকাপেই বিদায় নিতে হয়েছে শেষ ষোলো থেকে। এবার সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ।
সুইসদের সবচেয়ে বড় ভরসা ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড মানজাম্বি। চলতি বিশ্বকাপে তিন গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। শেষ ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে এম্বোলোর গোলও এসেছে তাঁর পাস থেকে। মানজাম্বির পাশাপাশি ব্রিল এমবলো, ডান এনদয়ে ও রুবেন ভারগেসও আছেন দারুণ ছন্দে। অন্যদিকে কলম্বিয়ার শক্তি তাদের গতিময় আক্রমণ ও সুশৃঙ্খল রক্ষণ। তবে চলতি বছর ইউরোপীয় কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এখনো জয় পায়নি নেস্তর লরেন্সোর দল।
অবশ্য দুই দলের অতীত লড়াইয়ের পরিসংখ্যান কলম্বিয়াই এগিয়ে। চার দেখায় দুবার জিতেছে তারা। সুইজারল্যান্ডের জয় একটিতে। আরেকটি ম্যাচ হয়েছে ড্র। বিশ্বকাপে একমাত্র দেখায় ১৯৯৪ সালে ২-০ গোলে জয় পেয়েছিল কলম্বিয়ানরা। তবে ইতিহাস নয়, বর্তমান ফর্মই ভ্যাঙ্কুভারের এই লড়াইয়ে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।