মাঠে প্রত্যাশিত চেনা ছন্দ না মিললেও মাথিয়াস কুনিয়ার নাটকীয় এক গোলে হাইতির বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতির জমাট রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল সেলেসাওদের। তবে ম্যাচের ২৩ মিনিটের মাথায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে ডেডলক ভাঙে ব্রাজিল।
বাঁ প্রান্ত দিয়ে ভেতরে কেটে ঢুকে হাইতির রক্ষণভাগকে নাচিয়ে একটি চমৎকার বাঁকানো শট নেন ভিনিসিয়ুস। হাইতিয়ান গোলরক্ষক প্লাসিড শটটি ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দিলেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। ফিরতি বলটি বক্সের ভেতরে পড়লে তা জালে জড়াতে কাল ক্ষেপণ করেননি ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড কুনিয়া। শুরুতে এটি আত্মঘাতী গোল মনে হলেও ভিএআর রিভিউ শেষে গোলটি কুনিয়ার নামেই বহাল রাখা হয়।
গোল নিশ্চিত হওয়ার পর সতীর্থদের অভিনন্দনে ভেসে মাঠের কোণায় গিয়ে নিজের চেনা ‘সার্ফিং উদযাপন’ প্রদর্শন করেন কুনিয়া, যা গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলার সময় তিনি বেশ জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। এই গোলের আগে অবশ্য ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতি বেশ ভালো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
ফিলাডেলফিয়ায় ম্যাচের ৪ মিনিটে ডগলাসকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন হাইতির কার্লেন্স আরকুস। এরপর ১২ মিনিটে রাফিনিয়া বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। ম্যাচের ২২ মিনিটে আবারও নিশ্চিত সুযোগ হাতছাড়া করেন এই বার্সেলোনা উইঙ্গার। ব্রুনো গিমারেসের নিখুঁত থ্রু-বল ধরে হাইতিয়ান কিপারের ওপর দিয়ে চমৎকার চিপ করলেও তা পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। মরক্কোর বিপক্ষে আগের ম্যাচে হতাশাজনক ড্রয়ের পর এই ম্যাচে প্রথম জয়ের খোঁজে থাকা ব্রাজিল কুনিয়ার এই গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে এখন ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।