মরক্কোর বিপক্ষে লড়াই দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করবে ব্রাজিল। তবে এই ম্যাচে খেলা হচ্ছে না দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমারের। মাঠের বাইরে থাকলেও সেলেসাও শিবিরে তাঁর গুরুত্ব ও প্রভাব যে এতটুকু কমেনি, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামার কয়েক ঘণ্টা আগে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) অফিশিয়াল প্রেস কিটে এই তারকা ফরোয়ার্ডের একটি আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
দীর্ঘ বিরতি শেষে বিশ্বকাপে নিজের প্রত্যাবর্তন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেখানে বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নেইমার। প্রায় তিন বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর কোচ কার্লো আনচেলত্তির দলে ডাক পেয়েছেন তিনি । সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চোটের কারণে যে কঠিন ও দুঃসহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছে, বার্তায় মূলত সেটিই তুলে ধরেছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য এবং সুস্থ হয়ে ওঠার পুরো প্রক্রিয়ায় সমর্থন জোগানোর জন্য ব্রাজিলের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নেইমার বলেন, ‘আমি যে সমস্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি, তা ভেবে আবেগপ্রবণ না হওয়া কঠিন। সবকিছুর পরও আমি আরেকটি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি, এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি সেই সব ব্রাজিলিয়ানকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যাঁরা আমার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং আমাকে জাতীয় দলে দেখতে চেয়েছেন।’
ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের মিশনকে সামনে রেখে দলে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন নেইমার। সতীর্থদের উজ্জীবিত করতে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা সবাই এক। আমাদের সামনে লড়াই করার জন্য আরেকটি বিশ্বকাপ আছে এবং নিশ্চিতভাবেই, ব্রাজিলে ট্রফি ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা আমাদের জীবন বাজি রাখব। আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
কয়েক মাস ধরেই বিশ্বকাপে নেইমারের অংশগ্রহণ নিয়ে তুমুল সংশয় ছিল। ২০২৩ সালে হাঁটুর গুরুতর চোটের পর থেকে একের পর এক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। সর্বশেষ কাফ মাসলের (পায়ের পেশি) নতুন চোটের কারণে ভোর ৪টায় মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে এই তারকাকে।