হোম > খেলা > ফুটবল

আমার হৃদয়ে সিটি চিরকাল থাকবে, বললেন আগুয়েরো

ঢাকা: চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল শেষে সার্জিও আগুয়েরোর অশ্রুসিক্ত মুখটাই ছিল ম্যাচের প্রতিচ্ছবি। ম্যানচেস্টার সিটিতে আগুয়েরোর শুরুটা যতটা স্বপ্নের মতো ছিল, শেষটা হয়েছে ততটাই হৃদয়বিদারক। চেলসির কাছে হেরে শিরোপা জেতা হয়নি ম্যানচেস্টার সিটির। ফাইনাল হেরে ইউরোপসেরা হওয়ার আশাটা আর পূরণ হলো না আগুয়েরোর। তবে শেষবেলায় সিটিকে উদ্দশ্য করে আবেগগণ বার্তা দিয়ে গেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুয়েরো লিখেছেন, ‘দলের জন্য আমি গর্বিত। এত বছর ধরে আকাশি রঙের জার্সিটা গায়ে জড়িয়ে খেলেছি। ম্যানচেস্টার সিটি, আমার হৃদয়ে চিরকাল থাকবে।’

পোর্তোয় ফাইনালের মধ্যে দিয়ে সিটির একটা যুগেরও সমাপ্তি হয়ে গেল। সিটির জার্সি গায়ে শেষ ম্যাচটা খেলে ফেলেছেন সার্জিও আগুয়েরো। তবে ক্লাব ছাড়লেও সিটিকে চিরকাল হৃদয়ে রাখবেন বলে জানিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন।

এ মৌসুমে সিটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় আগুয়েরোর। চুক্তি না বাড়িয়ে মৌসুম শেষের আগেই ক্লাব ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার। ২০১২ সালে আতলেতিকো মাদ্রিদ ছেড়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে আসেন আগুয়েরো। নিজের প্রথম মৌসুমেই ৪৪ বছর পর সিটিকে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতাতে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পরের দশ বছরে ছোট-বড় মিলে সিটির আরও ডজনখানেক ট্রফি জয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি।

তবে সিটির সবচেয়ে বড় চাওয়াটাই পূরণ হয়নি। চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা না জিতেই যেতে হচ্ছে আগুয়েরোকে। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে চেলসির কাছে। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে রাহিম স্টার্লিংয়ের পরিবর্তে মাঠে নামেন আগুয়েরো। ততক্ষণে এক গোলে পিছিয়ে সিটি। আগুয়েরো নেমে খুব একটা জায়গা তৈরি করতে পারেননি। তবুও সিটি সমর্থকরা হয়তো আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু শেষটায় আর পারেননি আগুয়েরো।

ইউরোপের দলের বিপক্ষে আগেও খেলেছিল বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে নেইমারের অস্ত্রোপচার

প্রথমবার ইউরোপে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

‘এখন খেললে মৌসুমে হাজার গোল করতেন ম্যারাডোনা’

বাংলাদেশের সামনে আজ বাঁচা-মরার লড়াই

বায়ার্নের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে নামছে রিয়াল

বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম ফুটবল ম্যাচ দেখবেন কোথায়

‘ইরানের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা খুবই কম’

ফ্রান্সের ফুটবলে তুলকালাম, ২৭ খেলোয়াড়ের ২৪ জনকেই লাল কার্ড

ফ্রান্সের জন্য ইউরোপের বড় এক ক্লাবকেও ফিরিয়ে দিয়েছেন জিদান