বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কি আরও বাড়ছে?
৪৮ দল নিয়ে উত্তর আমেরিকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে তোপের মুখে পড়েছিল ফিফা। বিশ্বকাপের মান নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রীতিমতো সমালোচনা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। সে শঙ্কা এড়িয়ে বেশ সফলতার সঙ্গেই শেষ হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর।
এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই হচ্ছে দেখার মতো। কেপ ভার্দের মতো আনকোড়া দল দেখিয়েছে, বড় দলের তকমা গায়ে লাগানোর সব সম্ভাবনাই আছে তাদের। অন্যান্য ছোট দলগুলোও নিজেদের পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়েছে। এবারের বিশ্বকাপকে তাই শতভাগ সফল বলে দাবি করছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেই সঙ্গে ৬৪ দল নিয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ফিফা।
এবারের বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করবে ফিফার সংশ্লিষ্ট কমিটি। সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্লুউইন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেন, ‘এই বিশ্বকাপের পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোতে ৬৪ দলের টুর্নামেন্টের বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই খতিয়ে দেখা হবে এবং এটি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ফিফা সভাপতি আবারও জোর দিয়ে বলেন যে, বিশ্বকাপ ফুটবল আসলে পুরো বিশ্বের জন্য, কেবল ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার একচেটিয়া কোনো আসর নয়।’
ইনফান্তিনো আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার অধিকার প্রতিটি দেশেরই থাকা উচিত। আপনারা নিশ্চয়ই দেখছেন যে দলগুলোর মান এখন কতটা উঁচুতে—এবং পুরো বিশ্বজুড়েই এই মান দিন দিন আরও বাড়ছে। আপনি যদি ছোট দেশগুলোকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগই না দেন, তবে নিজেদের ফুটবলকে আরও উন্নত করার কোনো আগ্রহ বা তাড়না তারা খুঁজে পাবে না।’
৩২ দল থেকে প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে বিশ্বকাপ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল অংশ নিলে আরও ১৬ দল বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পাবে। সে ক্ষেত্রে ফিফার অধীনে থাকা ২১০ দলের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি দল বিশ্বকাপে খেলার গৌরব অর্জন করবে।