নিউ জার্সির ৮২ হাজার ৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অতিকায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে আজ বাংলাদেশ সময় ভোররাতে। রাত ৪টায় ব্রাজিল-মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে শুরু নিউইয়র্ক-নিউ জার্সির বিশ্বকাপযাত্রা।
দুই দিন আগে স্টেডিয়াম ট্যুরের অংশ হিসেবে মেটলাইফের ফিফা কর্মকর্তারা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন পুরো স্টেডিয়াম। ড্রেসিংরুম বা লকাররুম থেকে টানেল হয়ে ডাগআউট দেখা হলো। ডাগআউটের পেছনের গ্যালারির নিচে ‘৫০ ক্লাব’—যেখানে স্টেডিয়ামে আগত দর্শকদের জন্য খাবারের সুব্যবস্থা। নিউ জার্সির সিগনেচার ডিশগুলো তুলে ধরেছিলেন শেফ।
বার্গার, হটডগ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপসের মতো পরিচিত খাবারের সঙ্গে বিভিন্ন ফল ও পানীয়র আয়োজন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে আছে সামুদ্রিক খাবার। আর সে তালিকায় সবচেয়ে বড় আকর্ষণ শামুক।
শেফ সেদিন ব্রিফিংয়ে যতই বলুন জিবে জল এনে দেওয়া সব খাবারের ব্যবস্থা করছেন, শামুক-টামুক দিয়ে তৈরি খাবার কি আর বঙ্গীয় দেশের কাউকে টানবে! বাঙালির খাদ্যতালিকায় শামুক না থাকুক, অনেক দেশের দর্শকের কাছে তা অনেক উপাদেয়। কিন্তু খাবারের দাম কেমন রাখা হবে? এক জাপানি সাংবাদিকের প্রশ্নে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন রাঁধুনি।
ভূগোল বদলালেও স্টেডিয়ামে দর্শকের ‘গলা কাটা’র রীতি কমবেশি বিশ্বের সব স্টেডিয়ামেই বোধহয় আছে। সেদিন নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোসে ওয়াচ পার্টিতেই হাফ লিটার এক বোতল পানির দাম দেখলাম ৭ ডলার (প্রায় ৯০০ টাকা) রাখা হয়েছে। মেটলাইফেও সস্তায় খাবার পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।