এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে লড়ছেন জামাল ভূঁইয়া। এর আগে কোনো সরকারই ফুটবলারদের জন্য মাসিক ভাতার মতো স্থায়ী আর্থিক সুবিধার কথা ভাবেনি। তা করে দেখিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তাই ক্রীড়া কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন জামাল।
গতকাল দ্বিতীয় ধাপে ফুটবলারদের কার্ড বিতরণ করা হলেও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি জামাল। আজ সকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বাসভবনে গিয়ে নিজের কার্ডটি সংগ্রহ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। কার্ড গ্রহণের পর তিনি বলেন, ‘সবাই একে ক্রীড়া কার্ড বললেও আমি একে আমিনুল কার্ড বলব। কারণ এর আগে খেলোয়াড়দের নিয়ে এভাবে কেউ ভাবেনি বা কিছু করেনি। এতো বছরে আমরা কোন একটা ক্রীড়ামন্ত্রী পাই নাই যে সবার জন্য একটা চিন্তা করছে।’
আজ সকালেই এশিয়ান বিচ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চীনের সানিয়াতে রওয়ানা হয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তার আগে জামালের হাতে কার্ড তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দেশের ফুটবল নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ২০০৩ সালের সাফ জয়ী দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের চোখ এখন আগামী সেপ্টেম্বরের সাফে। দেশের মাটিতে আবারও শিরোপা উল্লাস দেখার ব্যাপারে তিনি সরকারি সহযোগিতার পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছেন।
জাতীয় দলের কোচ নির্বাচন নিয়েও কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী। হাভিয়ের কাবরেরার মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাফুফে এখন নতুন কোচের সন্ধানে। আমিনুল হক বলেন, ‘বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা একজন উঁচু মানের কোচ নিয়োগ দেব, যাতে জামাল ভূঁইয়া ও হামজা চৌধুরীদের মতো ফুটবলাররা তাদের সেরাটা মাঠে দিতে পারে।’