হোম > খেলা > ফুটবল

জয়টা মায়ের সঙ্গে উদ্‌যাপন করলেন মরক্কোর খেলোয়াড়

আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে মরক্কো। ১৯৯০ বিশ্বকাপে আফ্রিকার হয়ে প্রথমবার কোয়ার্টারে উঠেছিল ক্যামেরুন। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে আয়োজিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে সেনেগাল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে শেষ আটে উঠেছিল ঘানা। কিন্তু এই গেরো কেটে কেউই সেমিতে উঠতে পারছিল না।

অবশেষে কাতার বিশ্বকাপে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো সেই গেরো কেটে দিল। গতকাল দোহারের আল-থুমামা স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে আটলাস লায়নরা। ম্যাচের প্রথমার্ধে হেডে দারুণ এক গোল করে ইতিহাসের পাতায় মরক্কোর নাম লিখে দিয়েছেন ফরোয়ার্ড ইউসেফ এন-নেসরি।

জয়ের পর উদ্‌যাপনের মাত্রাও ছিল অনেকটা বেশি। মাকে নিয়ে মাঠে উদ্‌যাপন করেন লেফট উইঙ্গার সোফিয়ান বাউফল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে মা-ছেলের জয়োল্লাসের ছবিও ছড়িয়ে পড়ে। ছবি ও ভিডিওতে বাউফল ও তাঁর মাকে হাত ধরে হেলেদুলে নাচতে দেখা যায় এবং দুজনে কিছু যেন বলছিলেন। 

এর আগে মরক্কোর ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে তাঁর মায়ের সঙ্গে জয় উদ্‌যাপন করতে দেখা গেছে। সোফিয়ান বাউফল ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পিতা-মাতা মরোক্কান। বাউফল ইংলিশ ক্লাব সাউদাম্পটনের হয়ে খেলেন। মরক্কোর হয়ে ৩৭ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন।

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেই ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। পর্তুগালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে মরক্কোর সামনে হাতছানি দিচ্ছিল আরেকটি ইতিহাস গড়ার। ম্যাচের ৪২ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে লম্বা করে বাড়ানো বল লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে পর্তুগালের জালে জড়ান সেভিয়া ফরোয়ার্ড এন-নেসরি। এই গোলেই ইতিহাস লেখা হয় মরক্কোর।

বিশ্বকাপে কোথায় হবে ফ্রান্স ও জার্মানির অনুশীলন ক্যাম্প

সালাহর সামনে আরেকটি সুযোগ, কেমন হলো আফকনের সেমিফাইনালের লাইনআপ

এই এল ক্লাসিকোই কি আলোনসোর ‘ফাইনাল’

মেসিকে নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচের কণ্ঠে ‘পুরোনো সুর’

ফুরাল ২২ বছরের অপেক্ষা, মাটিতে পা রেখে শিরোপায় চোখ মরক্কোর

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফিফা সভাপতির শোক

বাবা হারানোর শোক ছাপিয়ে ফুটবলে আলো ছড়াচ্ছে ১৩ বছরের অনন্যা

বার্সার বিপক্ষে প্রতিশোধের ফাইনালে কি খেলছেন এমবাপ্পে

মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই

কোয়ার্টার ফাইনালে মিসরকে পেল আইভরি কোস্ট, চূড়ান্ত লাইনআপটা কী