হোম > খেলা > ফুটবল

মৃত্যুর হাত থেকে রুনিকে বাঁচিয়েছিলেন স্ত্রী, কী হয়েছিল

ক্রীড়া ডেস্ক    

ওয়েইন রুনিকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন স্ত্রী কোলিন। ছবি: ফাইল ছবি

বর্নাঢ্য ক্যারিয়ার ছিল ওয়েইন রুনির। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের একজন মানা হয় তাঁকে। এমন একজন ফুটবলারকেই কিনা পেয়ে বসেছিল মদের নেশা। মরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলারের। এমন অবস্থায় তাঁকে বাঁচিয়েছেন স্ত্রী কোলিন।

সেই বিভীষিকাময় সময় থেকে ফিরিয়ে আনায় স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রুনি। ম্যানেচস্টার ইউনাইটেডের সর্বোচ্চ গোলদাতা রিও ফার্দিনান্দ পডকাস্টে বলেন, ‘যদি কোলিন না থাকত, আমি মারা যেতাম। আমি বিশ্বাস করি যে, আমি অতীতে যা করেছি সেসব ভুল ছিল। আমি মাঝে মাঝে একটু আলাদাভাবে থাকি। কোলিন আমাকে গত ২০ বছর ধরে সেভাবেই রেখেছে।’

খেলোয়াড়ি জীবনে মদ যে কতটা বাজেভাবে তাঁকে পেয়ে বসেছিল, সেই দুঃসহ স্মৃতিচারণ করেছেন রুনি। ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড বলেন, ‘আমি বাইরে যেতাম, বন্ধুদের সঙ্গে সময় উপভোগ করতাম এবং রাত কাটাতাম। এমন একটা সময় এসেছিল, যখন আমি অনেক গভীরে চলে গিয়ছিলাম। আমার জীবনের এমন একটি মুহূর্ত ছিল, যখন আমি মদের সঙ্গে প্রচণ্ড লড়াই করেছি। আমার মনে আছে অনুশীলেন গিয়ে চোখে ড্রপ দিতাম ও চুইংগাম চিবাতাম। আমি টানা দুই দিন মদ পান করেছি। এরপর আমি অনুশীলনে যেতাম। সপ্তাহের শেষে দুই গোল করতাম। আবার টানা দুই দিন মদ্যপান করতাম।’

এভারটন দিয়ে ২০০২ সালে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেন রুনি। ২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন। ক্লাবটির হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে জালের দেখা পেয়েছেন ২৫৩ বার। প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্টদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। এই ক্লাবে থাকাকালীন ২০০৮ সালে কোলিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রুনি।

পিছিয়ে থেকেও বাংলাদেশের স্বস্তির ড্র

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে পারে, বলছেন ফিফা সভাপতি

সাবিনার জোড়া গোলে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে এক মাসে ৫০ কোটির বেশি টিকিটের আবেদন

সালাহকে কাঁদিয়ে ফাইনালে মানের সেনেগাল

শমিতকে ছেড়েই দিল তাঁর ক্লাব

এক ম্যাচ হাতে রেখেই চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে যাত্রাবাড়ী

৮ গোলের থ্রিলারে ভারতকে রুখে দিল বাংলাদেশ

প্রথমবার বাংলাদেশে এসেই মুগ্ধ ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার

ফাইনালের লড়াইয়ে সালাহ-মানে, দিয়াজ-ওসিমেন