প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল নাজমুল হোসেন শান্ত। দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার; খেলেন ১০১ রানের ঝলমলে ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন অধিনায়ক। তাঁর ব্যাটে লিড বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ।
সাদমান ইসলাম আউট হলে ২৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ক্রিজে আসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হককে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান। তৃতীয় উইকেটে দুজনে যোগ করেন ১০৩ রান। ৫৬ রানে মুমিনুল শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে মোহাম্মদ রিওয়ানের হাতে ধরা পড়লে এই জুটির সমাপ্তি ঘটে।
এরপর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে আরও একটি বড় জুটি গড়ার আভাস দিয়েছিলেন শান্ত। দুজনে মিলে চতুর্থ দিনের বাকি সময় পার করে দেন। কিন্তু ক্রিজে টিকে গেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি মুশফিক। শেষ দিনের শুরুতেই ফেরেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। সাবেক অধিনায়কের (২২ রান) বিদায়ের আগে চতুর্থ উইকেটে জমা হয় ৩৬ রান।
লিটন দাসও দায়িত্ব নিতে পারেননি। ছক্কা মারার চেষ্টায় ১১ রানে বাউন্ডারির কাছে হাসান আলীর হাতে ধরা পড়েন টি-টোয়েন্টি দলপতি। একে একে সতীর্থরা বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছেন শান্ত। চতুর্থ দিনেই ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন। ৫৮ রান করে আজ ব্যাট করতে নামেন। প্রথম ইনিসের মতো এবারও সেঞ্চুরির সুযোগ তাঁর সামনে। টেস্টে ফিফটির চেয়ে শান্তর সেঞ্চুরির সংখ্যাই বেশি। ৫ ফিফটির বিপরীতে তিন অঙ্কের জাদুকরী কোটায় পৌঁছেছেন আটবার। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করতে পারেন কি না সেটাই সময়ই বলে দেবে।