১০০ তম ওয়ানডে খেলতে নামা লিটন দাসের জন্য ম্যাচটা এমনিতেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গ্লাভস হাতে দারুণ সব ক্যাচ ধরে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও মাইলফলকের ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখছেন তিনি। তাঁর দুর্দান্ত ক্যাচেই চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
নাহিদ রানার করা ইনিংসের ২৯ তম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিটি ব্যাটে-বলে ভালোভাবে সংযোগ করতে পারেননি মুহম্মদ আব্বাস। বল চলে যায় ফাইন লেগের দিকে। দৌড়ে গিয়ে ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন। তাঁর গ্লাভসবন্দীর মুহূর্ত দেখে মনে হচ্ছিল, যেন বাজপাখি ছোঁ মেরে শিকার ধরছে।
লিটনের দুর্দান্ত এই ক্যাচে দলীয় ১০৮ রানে ৪ উইকেটের দলে পরিণত হয় নিউজিল্যান্ড। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে ৩৪ বলে ১ বাউন্ডারিতে ১৯ রান করেন আব্বাস। এই মিডলঅর্ডার ব্যাটার ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যাচ্ছেন নিক কেলি। ৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর আব্বাসকে নিয়ে ৫৬ রান যোগ করে দলের বিপদ সামাল দেন। ফিফটি তুলে নিয়ে ইনিংস বড় করছেন কেলি। টপ অর্ডারদের ব্যর্থতার দিনে তাঁর দিকে তাকিয়ে নিউজিল্যান্ড।
ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ব্যাটারদের অপেক্ষা বাড়াচ্ছিলেন হেনরি নিকোলস এবং কেলি। অবশেষে অষ্টম ওভারে প্রথম উইকেটের দেখা পায় স্বাগতিকেরা। সে ওভারের প্রথম বলেই নিকোলসকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন নাহিদ রানা। ফেরার আগে ২৬ বলে ১৩ রান করেন নিকোলস। এক ওভার পর বোলিংয়ে এসে আবার বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন রানা। এ যাত্রায় ৭ বলে ২ রান করা উইল ইয়ংকে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানান এই পেসার।
টম লাথাম আউট হন ছয় মাস পর একাদশে ফেরা সৌম্য সরকারের বলে। ব্যক্তিগত ১৪ রানে উইকেটের পেছনে লিটনের হাতে ধরা পড়েন সফরকারীদের অধিনায়ক। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের এই ক্যাচটিও ছিল দেখার মতো। আজকের মতো প্রথম ওয়ানডেতেও ১৪ রানে ফিরেছিলেন লাথাম।