হোম > খেলা > ক্রিকেট

সৈকতের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৫ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক    

সাড়ে তিন বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। খেলেছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারসেরা ৮৬ রানের ইনিংস। ছবি: বিসিবি

২০২২ সালে অ্যাডিলেডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটাই এত দিন ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের শেষ ম্যাচ। এরপর দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করে গেলেও সুযোগ মিলছিল না কিছুতেই। অবশেষে আজ মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়ে সদ্ব্যবহার করেছেন সৈকত।

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝেই শুরু হয়ে গেল বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ। মিরপুরে আজ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তুলনামূলক দুর্বল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩০০-এর বেশি রানের আভাস দিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও মাঝের দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ায় তা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান সৈকত। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটা খেললেন আজই। তাঁর ৭০ বলে ৮৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে তুলেছে ২৮৪ রান।

টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে দলীয় ১০ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে সাইফ হাসানকে (৫) দ্বিতীয় স্লিপে মারনাস লাবুশেনের ক্যাচে পরিণত করেন নাথান এলিস। ২৪ রানেই বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেট পড়ার উপক্রম হয়েছিল। এবার এলিসের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ হাতছাড়া করেন লাবুশেন। শান্তর স্কোর তখন ৯।

সুযোগের সদ্ব্যবহার এরপর ভালোভাবে করেছেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি গড়েন তাঁরা (শান্ত-তানজিদ তামিম)। জুটি গড়ার পথে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি তুলে নেন তামিম। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে বাঁহাতি এই ওপেনারকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন এলিস। ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তামিম।

তামিমের বিদায়ের পর দ্রুত ২ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। স্বাগতিকদের রান তোলার গতিও কমে যায়। যে সময়ে দর্শকেরা ভিড় জমান মিরপুরে, সে সময় স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে হতাশ হয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। লিটন দাস-নাজমুল হোসেন শান্তকে খণ্ডকালীন স্পিনার ম্যাট রেনশ দ্রুত ফেরালে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ২৫.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪০ রান। লিটন ও শান্ত ৭ ও ৬৭ রান করে আউট। শান্তর এটা ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি।

ছয় নম্বরে নামা মোসাদ্দেক সাবধানী শুরু করেন। ইনিংসটা যে লম্বা করেছেন, তাতে অস্ট্রেলিয়ার কুপার কনোলিকে একটা ধন্যবাদ দিতেই পারেন। ৩২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যাডাম জাম্পাকে তুলে মারতে যান সৈকত। লং অনে সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন কুপার কনোলি। মোসাদ্দেকের স্কোর তখন ২১।

লিটন-শান্তকে দ্রুত হারানোর পর হাল ধরেন সৈকত-হৃদয়। পঞ্চম উইকেটে ৯০ বলে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তাঁরা (সৈকত-হৃদয়)। মুহূর্তেই হৃদয় (৩১), মেহেদী হাসান মিরাজ (৩), তানভীর ইসলাম (৫) বিদায় নিলে ৪৪.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩৯ রানে পরিণত হয় বাংলাদেশ। একপ্রান্তে আগলে রেখে সৈকত খেলে যান নিজের মতো করে। ক্রিকেটীয় ব্যাকরণ মেনে শট যেমন খেলেছেন, করেছেন রিভার্স স্কুপও। অষ্টম উইকেটে ৩৩ বলে ৪৫ রানের জুটি গড়েন তাসকিন আহমেদ-সৈকত।

ধীরগতির বোলিংয়ের শাস্তিও পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অজি পেসার লিয়াম স্কট শেষ ওভার বোলিং করতে হয়েছে বৃত্তের ভেতরে এক খেলোয়াড় বেশি রেখে। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করেছে ২৮৪ রান। ৬ নম্বরে নামা সৈকত ৭০ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। অজি পেসার নাথান এলিস ১০ ওভারে ৩৮ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এক ওভার মেডেন দিয়েছেন তিনি।

রানার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের ‘ঝগড়া’ থামালেন মিরাজরা

তাসকিন-মোস্তাফিজে কাঁপছে অস্ট্রেলিয়া

একাদশে ফিরলেন মোসাদ্দেক

এবারও আফগানিস্তানকে দুমড়েমুচড়ে দিল ভারত

ডিপিএলে তাহলে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে কারা

জাকিরের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

নির্বাচনের পরের দিনই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ

রানাকে ভয় পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়াও

‘ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ও বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ খুব রোমাঞ্চ ছড়াবে’

মোসাদ্দেকের সঙ্গে নিজের পার্থক্য দেখালেন মিরাজ