বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে গতকাল অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ১১ সদস্যের এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তামিম ইকবালকে। বিসিবির সভাপতির পদে বসা সাবেক এই ক্রিকেটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সহসভাপতি রাজিব শুক্লা।
রাজিবের বিশ্বাস, তামিমের নেতৃত্বে আরও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় বিসিসিআইয়ের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হওয়ায় তামিম ইকবালকে অভিনন্দন। একজন সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব দেশের ক্রিকেটকে দেশ-বিদেশে আরও সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় করে তুলবে।’
তামিমের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস। দায়িত্ব পেয়েই নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন তামিম। সেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সরাসরি না বললেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তামিম।
তামিম বলেন, ‘অবশ্যই আমরা নির্বাচন করব। এখানে ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমার ইচ্ছা থাকতে পারে। আমি করতে পারি। তিনি করতে পারেন। তাঁর ইচ্ছা নাও থাকতে পারে। স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শুধু আমরা না, যাঁরা যাঁরা আগ্রহী, সবাইকে অনুরোধ করব যেন সবাই অংশ নেন। আমরা যেন একটা সুন্দর নির্বাচন করে দিয়ে যেতে পারি, সেই পরিবেশ তৈরি করে দেব। যেখানে সবাই এসে নির্বাচন করতে পারবে।’
এনএসসি অ্যাডহক কমিটি গঠনের পর গতকাল বিসিবি ছাড়েন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নতুন কমিটিকে অবৈধ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান। বুলবুলের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিসিবির মতো একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া তদন্ত করার কোনো আইনি এখতিয়ার এনএসসির নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়কে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, সরকার আমাদের ক্রিকেটীয় স্বায়ত্তশাসনের গলায় ছুরি ধরেছে। এনএসসি অধ্যাদেশ অনুযায়ী নির্বাচিত পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বায়ত্তশাসনের টুঁটি চেপে ধরার শামিল।’