ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি দুই সংস্করণে একাধিক হ্যাটট্রিক, যার মধ্যে রয়েছে ডাবল হ্যাটট্রিকও। এই বাক্য দেখেই অনেকেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন লাসিথ মালিঙ্গার কথা বলা হচ্ছে। স্লিঙ্গিং বোলিং অ্যাকশনে ব্যাটারদের ঘুম উড়িয়ে দেওয়া মালিঙ্গার একটি রেকর্ড ৯ বছর অক্ষত ছিল। আজ জিম্বাবুয়ের এক পেসারের কাছে ভেঙে গেল সেই রেকর্ড।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে জিম্বাবুয়ে-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপকে ফিরিয়ে বিশ্ব রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন জিম্বাবুয়ের পেসার ব্র্যাড ইভান্স। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে ইভানসকে তুলে মারতে যান হোপ। ডিপ মিড উইকেট থেকে দৌড়ে এসে ব্রায়ান বেনেট ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন। তাতে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে টানা ২৮ ইনিংসে উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন ইভান্স। এই তালিকায় দুইয়ে থাকা মালিঙ্গা স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে টানা ২৭ ইনিংসে উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে রয়েছে তাঁর সেই হ্যাটট্রিক।
মালিঙ্গার সঙ্গে এই তালিকায় যৌথভাবে দুইয়ে আয়ারল্যান্ডের রস অ্যাডাইর। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ২০২৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত টানা ২৭ ইনিংসে উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন অ্যাডাইর। পাকিস্তানের উসমান তারিক এই তালিকায় তিনে। থেমে থেমে স্পিন বোলিং করে এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে টানা ২৫ ইনিংসে উইকেট পেয়েছেন অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের এই বোলার। এরই মধ্যে হ্যাটট্রিকও করে ফেলেছেন তারিক।
ইভান্সের কীর্তি গড়ার দিনে বেধড়ক পিটুনি খেয়েছে জিম্বাবুয়ে। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৫৪ রান করেছে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৫৯ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এত বিশাল রান তাড়া করে জিতেছে প্রোটিয়ারা। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৩০ রান করে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি গড়ে ইংল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টিতে টানা উইকেট নেওয়ার কীর্তি ( ইনিংসের হিসেবে)
দল ম্যাচ সময়
ব্র্যাড ইভান্স জিম্বাবুয়ে ২৮ ২০২৫-২৬
লাসিথ মালিঙ্গা শ্রীলঙ্কা ২৭ ২০১৫-১৭
মার্ক অ্যাডাইর আয়ারল্যান্ড ২৭ ২০২৪-২৬
উসমান তারিক পাকিস্তান ২৫ ২০২৫-২৬
আজিম রফিক ইংল্যান্ড ২৪ ২০১৪-১৭