আজান আওয়াইসের দারুণ ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের ভালোই জবাব দিচ্ছিল সফরকারীরা। কিন্তু আচমকা ব্যাটিং ধসে চাপে পড়েছে শান মাসুদের দল। ২০ রানের ব্যবধানে আজান, শান মাসুদ সৌদ শাকিল এবং আব্দুল্লাহ ফজলকে হারিয়েছে পাকিস্তান।
শুরুটা করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। অভিষেকে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া আজানকে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানান এই পেসার। ১০৩ রান করে ফেরেন আজান। কিছুক্ষণ পর পাকিস্তানের অধিনায়ক মাসুদকেও প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তাসকিন। সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়ার আগে ৯ রান করেন।
পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আসেন শাকিল। রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই মিডলঅর্ডার ব্যাটার। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৬০তম ওভারের শেষ বল তাঁর প্যাডে লাগলে জোরালো আবেদন হয়। আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তুলেন কুমার ধর্মসেনা। রিভিউ নিয়েছিলেন শাকিল। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি তাঁর। এরপর টিকতে পারেননি ফজলও। ৬০ রান এই ব্যাটারকেও ফেরান মিরাজ। ২৩০ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিস্তান।
১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। আজান ৮৫ এবং আব্দুল্লাহ ফজল ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের পঞ্চম ওভারেই সেঞ্চুরির দেখা পান আজান। পাকিস্তানের চতুর্দশ ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেকে সেঞ্চুরি করলেন আজান। এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে ইমাম উল হককে নিয়ে ১০৬ রান করেন। এরপর দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ফজলকে নিয়ে ১০৪ রানের আরও একটি জুটি গড়েন। তাঁর বিদায়ের পর দায়িত্ব নিতে পারেননি মাসুদ এবং শাকিল। উইকেটে টিকে গিয়ে ফজলও দলের চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে তাঁদের বিদায়ে স্বস্তি এসেছে বাংলাদেশ শিবিরে।