প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে আত্মবিশ্বাসের কমতি ছিল না বাংলাদেশের। কিন্তু সংক্ষিপ্ত ওভারের সিরিজের প্রথম ম্যাচে হতাশ করেছেন স্বাগতিক দলের ব্যাটাররা। অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১ ওভার আগেই ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে না পারলেও শুরুর দিকে টি-টোয়েন্টির চাহিদা মিটিয়ে রান তুলেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে তাওহীদ হৃদয় যখন ফিরছিলেন, সপ্তম ওভার শেষে স্বাগতিকদের স্কোরবোর্ডে উঠেছে তখন ৫৭ রান। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় আর সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ছোট পুঁজিতে সবচেয়ে বেশি অবদান বোলিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও ওপেনার সাইফ হাসানের। অন্যরা কেবল হতাশই করেছেন। তানজিদ হাসান তামিম, লিটনের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন কিংবা শামীম হোসেন কেউই দলকে ভরসা দিতে পারেননি। বাংলাদেশও পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি।
আটে নেমে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী। ৪ বাউন্ডারিতে সাজানো তাঁর ২২ বলের ইনিংস; স্ট্রাইকরেট ১৩১.৮২। ১৪ বলে ৩ চারে ২০ রান এনে দেন সাইফ। লিটনকে নিয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শেষ মুহূর্তে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় সৌম্য সরকারকে। কুড়িয়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি এই ব্যাটার। নড়বড়ে ব্যাটিংয়ে ১৮ বলে ১৭ রানে ফিরেছেন তিনি।
তামিম, ইমন, আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ব্যাট থেকে আসে সমান ১০ রান। বিশেষজ্ঞ ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে রিশাদের ব্যাটে তাকিয়ে ছিল সবাই। আরও একবার হতাশ করেছেন তিনি। ৩ রানে আউট হয়েছেন রিশাদ। এ ছাড়া শরীফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যাট থেকে আসে সমান ৭ রান।
বাংলাদেশকে হাতের নাগালে আটকে রাখতে বোলিংয়ে সবচেয়ে বড় অবদান অ্যাডাম জাম্পার। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন এই লেগ স্পিনার। সমান উইকেট নিতে ১৭ রান দেন জোয়েলে ডেভিস। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন ম্যাট রেনশ।