টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পরেই এই সংস্করণে ভারতের নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে কেড়ে নেওয়া হয় ওয়ানডের অধিনায়কত্ব। আর প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যর্থতায় দায় নিয়ে সরে দাঁড়ান ক্রিকেটের বনেদি সংস্করণ থেকেও।
একসময়কার সর্বাধিনায়ক ও ‘সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী’ কোহলিকে এখন থেকে দেখা যাবে শুধু ব্যাটার হিসেবে। অধিনায়কত্ব খোয়ানোর পর থেকে নিশ্চুপই ছিলেন ৩৩ বছর বয়সী তারকা। অবশেষে এ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে কোহলি নিজের মনোভাব তুলে ধরলেন এভাবে, ‘নেতা হওয়ার জন্য অধিনায়ক হওয়ার দরকার নেই। আমি মনে করি, আপনি যে লক্ষ্য স্থির করেছেন; সেখানে পৌঁছাতে পারাই সবচেয়ে বড় অর্জন। সবকিছুরই একটি মেয়াদ ও মেয়াদ সময়কাল থাকে। এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা ও সচেতন থাকা দরকার।’
ইতিহাস-পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের টেস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক কোহলি। তাঁর নেতৃত্বে ৬৮ ম্যাচের ৪০টিতে জিতেছে দল। এতগুলো ম্যাচে ভারতের হয়ে নেতৃত্ব ও জয়ের স্বাদ আর কারও নেই।
ঈর্ষণীয় সাফল্যের কৃতিত্বটা নিজেকে দিচ্ছেন না কোহলি। সতীর্থদের অকুণ্ঠ প্রশংসা ঝরেছে সদ্য সাবেক দলনেতার কণ্ঠে, ‘জানতাম, আমাদের দলে দক্ষ খেলোয়াড়ের অভাব নেই। আমরা অন্যদের থেকে কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে ছিলাম না। সবার প্রতিভাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’
নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কোহলির ভাষ্য, ‘দায়িত্ব যাই হোক, সৎ থাকতে হবে। (ধোনির অধীনে) যখন শুধু খেলোয়াড় ছিলাম, তখনো অধিনায়কের মতো করে ভাবতাম। এখনো সেভাবেই ভাবব। একজন ব্যাটার হিসেবে দলকে যেন আরও বেশি কিছু দিতে পারি, সে চেষ্টাও থাকবে।’
বিরাট কোহলি সম্পর্কিত আরও পড়ুন: