শেষ বলে দরকার ছয়। হাতে ২ উইকেট। ব্যাটিংয়ে তখন কায়লা রেনেকে। যিনি আজই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামছেন। শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন রেনেকেই। ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে নাম লেখালেন বিরল এক রেকর্ডে। যে রেকর্ডে আছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানও।
ক্রাইস্টচার্চে আজ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের পেসার সুজিয়া বেটসকে লং অন দিয়ে ছক্কা মেরে রেনেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে এনে দিলেন ২ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়। আট নম্বরে নেমে ৩২ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে হয়েছেন ম্যাচসেরা। ক্রিকেট ইতিহাসের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে একাধিক সংস্করণে নিজের অভিষেক ম্যাচেই রেনেকে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন। রেনেকে বাদে অপর চার ক্রিকেটার পুরুষ। দুই বাংলাদেশি ইলিয়াস সানি ও মোস্তাফিজের সঙ্গে আছেন ইংল্যান্ডের বেন ফোকস ও দক্ষিণ আফ্রিকার লুঙ্গি এনগিদি।
মোস্তাফিজ তাঁর ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেকে ম্যাচসেরা হয়েছেন। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ৫০ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। রোহিত শর্মা, অজিঙ্কা রাহানে, সুরেশ রায়না, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা এই পাঁচ ব্যাটারকে ফিরিয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচ বাংলাদেশ জিতেছিল ৭৯ রানে। একই বছরে তাঁর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অভিষেকও হয়েছিল। যার মধ্যে চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে ৩৭ রানে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। চারটির তিনটিই পেয়েছিলেন এক ওভারে।
সানি তাঁর টেস্ট অভিষেকে ম্যাচসেরা হলেও সেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল। চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২৮ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। যার মধ্যে প্রথম ইনিংসে পেয়েছিলেন ৬ উইকেট। আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর অভিষেকটা হয়েছিল মনে রাখার মতো। ২০১২ সালে বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ ওভারে ১৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পেয়েছিলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
দক্ষিণ আফ্রিকার রেনেকে এর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পচেফস্ট্রুমে পাকিস্তানের বিপক্ষে সাত নম্বরে নেমে ১৬ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় করেছিলেন ২৯ রান। সেবারও শেষ বলে ছক্কা মেরেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সেবার জিতেছিল ৫ উইকেটে। ক্যামিও ইনিংসের পাশাপাশি ১৩ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।