আবুধাবিতে হওয়া সবশেষ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আলিস ইসলামের বিরুদ্ধে বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আনে আইসিসি। সেই অ্যাকশন শুধরাতে ঘাম ঝরাচ্ছেন এই স্পিনার।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনের ঠিক শেষ দিকের ঘটনা। বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পরই চোখ পড়ল একাডেমি মাঠে। সেখানে সালাহ উদ্দীনকে নিয়ে অ্যাকশন শুধরানোর কাজ করছিলেন আলিস। এ সময় তাঁকে ভিন্ন অ্যাকশনে বল করতে দেখা গেছে। বোলিংয়ের ফাকে ফাঁকে কোচের পরামর্শ নিচ্ছিলেন তিনি।
ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় আলিসের। সে ম্যাচে ৮.৫ ওভার হাত ঘুরিয়ে উইকেটের দেখা পাননি। উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আনা হয়।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ১৪ দিনের মধ্যে সংশ্লিস্ট বোলারকে এই পরীক্ষা দিতে হয়। গত ২২ অক্টোবর আলিসের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের রিপোর্ট করা হয়।
ভারতের চেন্নাইয়ের একটি আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেবেন আলিস। পরীক্ষায় পাস করলেই কেবল ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন তিনি।
বোলিং অ্যাকশনের কারণে ক্যারিয়ারে বারবার থামতে হয়েছে আলিসকে। এর আগেও দুইবার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনে অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। প্রতিবারই দেশেই দেওয়া পরীক্ষায় উতরে মাঠের খেলায় ফেরেন। এবার আইসিসির ল্যাবে পরীক্ষা দিতে হবে তাঁকে।