দুই দলের কাছে ম্যাচটি টিকে থাকার। হেরে গেলে কার্যত ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা শেষ। আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে জয়ের বিকল্প নেই। কিন্তু সেখানে শক্ত পুঁজি দাঁড় করাতে পারেনি এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানকে ১৩৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা।
সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে দুই দলই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সামনে স্রেফ উড়ে যায় পাকিস্তান। আর শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই তাঁর শিকারে পরিণত হন কুশল মেন্ডিস (০)। আরেক ওপেনার পাতুম নিসাঙ্কাকেও (৮) থিতু হতে দেননি তিনি।
দুই ওপেনারকে হারানোর পরও শ্রীলঙ্কা দিতে থাকে আক্রমণাত্মক বার্তা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান যোগ করে তারা। মাঝখানে ১২ বলে ১৫ রানের ঝলক দেখিয়ে বিদায় নেন কুশল পেরেরা।
ওভারপ্রতি ৯ ছুঁইছুঁই রানরেট থাকলেও পরে সেই লাগাম টেনে ধরেন পাকিস্তানি বোলারেরা। অষ্টম ওভারে ইনিংসে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে উইকেট নেন হুসাইন তালাত। প্রথমে লঙ্কান অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কা (২০) ও পরে দাসুন শানাকাকে ফেরান তিনি। ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ৬-১০ ওভারে তাদের সংগ্রহ মাত্র ৫ রান।
লঙ্কানদের গায়ে পরের থাবাটা মারেন আবরার আহমেদ। তাঁর গুগলি পড়তে না পেরে বোল্ড হন ভানিন্দু হাসারাঙ্গা। আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলার পরিচিতি থাকলেও ১৩ বলে ২ চারে ১৫ রানেই থামেন তিনি। হাসারাঙ্গার মতো উদ্যাপন করা আবরার ৪ ওভারে খরচ করেন মাত্র ৮ রান।
লঙ্কানদের ইনিংস এরপর একাই টানেন কামিন্দু মেন্ডিস। কিন্তু তাঁর ধীরগতির ইনিংসও লঙ্কান বোলারদের খুব একটা সাহস জোগাতে পারেননি। ৪৪ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রানে বাঁহাতি এই ব্যাটার শাহিনের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন। দিনশেষে ৮ উইকেটে ১৩৩ রানে থামে শ্রীলঙ্কা। ২০ ওভারের মধ্যে ১০ ওভারে কোনো রান বের করতে পারেনি তারা।
পাকিস্তানের হয়ে ৪ ওভারে ২৮ রানে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শাহিন। এছাড়া দুটি করে শিকার তালাত ও রউফের।