দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারতের হার দেখে মোহাম্মদ আমির মুখ টিপে হেসেছেন কি না কে জানে। ‘সুপার এইট থেকে বাদ পড়বে ভারত’ দুইবার এমন মন্তব্য করে বেশ তোপের মুখেই পড়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক এই পেসার। আমিরের সে ভবিষ্যদ্বাণীর পর বাদ পড়ার শঙ্কায় পড়ে গেছে হট ফেবারিট ভারত।
সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে ভারত। শেষ আটের ‘এ’ গ্রুপে আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে তাদের; প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে দুটি ম্যাচেই জিততে হবে আয়োজকদের। এরপরও শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে না তাদের। আটটি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে সুপার এইটের ম্যাচগুলো খেলছে। প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে।
নিজেদের বাকি ম্যাচ দুটি জেতার পাশাপাশি গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোর দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে ভারতকে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের হার কামনা করতে হবে ২০০৭ এবং ২০২৪ সালের চ্যাম্পিয়নদের। সে ক্ষেত্রে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে এইডেন মার্করামের দল। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তাদের সঙ্গী হবে ভারত; ২ পয়েন্টের বেশি না পাওয়ায় সুপার এইটেই পথচলা থেমে যাবে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
এই সমীকরণ না মিললে অর্থাৎ জিম্বাবুয়ে কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ–যেকোনো এক দলের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকা হেরে গেলে পয়েন্ট টেবিলের সমীকরণ কঠিন হয়ে যাবে। ভারত যদি নিজেদের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে নেয় তাহলে তিনটি দলের ৪ পয়েন্ট হবে। তখন রান রেটের হিসেব সামনে চলে আসবে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ভারতের রান রেট এখন মাইনাস ৩.৮০০।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে ভারত। ১ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রান রেটের হিসেবে উতরে যেতে শেষ দুটি ম্যাচে আগে ব্যাট করলে বড় ব্যবধানে জিততে হবে ভারতকে। এ ছাড়া দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করলে দ্রুত রান তাড়া করতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। তবে দুই ম্যাচের একটিতে হারলে সেমিফাইনালের সমীকরণ আরও কঠিন হবে ভারতের জন্য।